চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সফিবাদ গ্রামের একটি পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে অটোরিকশা আটকে রাখা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মো. আহাম্মদ আলী বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বাদীর লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সফিবাদ গ্রামের মোঃ বশির আহম্মেদের মেয়ে মাহমুদা আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকার আহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ আকতার আলীর সাথে ২০২২ সালের ২৪ ডিসেম্বর ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিয়ে হয়।
বিয়ের সময় নিকাহনামায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর উল্লেখ্য ছিল এবং তা পরিশোধ করা হয়। পরবর্তীতে বিয়ের পর মাহমুদা আক্তার স্বামীর সংসার ছেড়ে পরকীয়া লিপ্ত হয় এবং ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট ঢাকায় একটি নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে স্বেচ্ছায় তালাক ঘোষণা করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, বর্তমানে তিনি অন্যত্র বসবাস করছেন এবং তার সন্তানও রয়েছে। এদিকে অভিযোগ অনুযায়ী এ বছরের ১৪ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাহমুদা আক্তারের বাবা মোঃ বশির আহম্মেদ তাহার লোকজন ও দলবল নিয়ে আহাম্মদ আলীকে মারধর করে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি অটোরিকশা জোরপূর্বক আটকে রাখেন। পরে ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ করলে পুলিশের সহায়তায় অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে মোঃ বশির আহম্মেদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে কচুয়া থানা পুলিশ জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কচুয়া প্রতিনিধি/
২২ জুলাই ২০২৬
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur