Home / জাতীয় / অর্থনীতি / মিয়ানমার থেকে ২ হাজার ৭৭৩ টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছেছে
onion
ফাইল ছবি

মিয়ানমার থেকে ২ হাজার ৭৭৩ টন পেঁয়াজ এসে পৌঁছেছে

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে ৩ দিনে ২ হাজার ৭৭৩ মে. টন পেঁয়াজ খালাস হয়েছে। পেয়াঁজ বোঝাই আরো ৯টি জাহাজ টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাসের অপক্ষোয় রয়েছে।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা মো.আবছার উদ্দিন জানিয়েছেন, মিয়ানমার থেকে আসা ২ হাজার ৭৭৩ মে.টন পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাস করা হয়েছে। তার মধ্যে সর্বশেষ সোমবার ২৫ নভেম্বর একদিনে ১,১০৩ মে.টন পেঁয়াজ খালাস হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি মাসে ১৭ হাজার ৯৫৩ মে. টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

তিনি বলেন,` গত কয়েক মাসে পেঁয়াজ আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানির দিকে ঝুঁকছে। ফলে বন্দর দিয়ে অন্যান্য পণ্য আমদানি কম হচ্ছে। তবে দেশের স্বার্থে সংকট মোকাবেলায় পেঁয়াজ আমদানি বাড়াতে আরো বেশি উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

টেকনাফ স্থলবন্দরে পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানিয়েছেন,মিয়ানমার থেকে আরো কয়েকশ’মে.টন পেঁয়াজ ভর্তি একাধিক জাহাজ স্থলবন্দরের পথে রওনা দিয়েছে। এর আগে মিয়ানমার থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাস হওয়ার পর ট্রাকভর্তি করে সেগুলো চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পৌঁছেছে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। দেশের চাহিদা পুরণে কিভাবে আরো বেশি পেয়াঁজ আমদানি করা যায়, সেভাবে ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।’

টেকনাফ শুল্ক বিভাগ জানায়, মিয়ানমার থেকে এ বন্দর দিয়ে চলতি নভেম্বর মাসের ২৫ দিনে ১৭ হাজার ৯৫৩ মে.টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এছাড়া অক্টোবর মাসে ২০ হাজার ৮৪৩ মে.টন পেঁয়াজ আমদানি হয়। সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি হয়েছে ৩,৫৭৩ মে.টন। এর আগে আগস্ট মাসে এসেছে মাত্র ৮৪ মে. টন পেঁয়াজ।

টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজের ট্রলার আসার সঙ্গে সঙ্গে খালাস করা হচ্ছে। যাতে দ্রুত পেঁয়াজ বাজারে পৌছতে পারে। আমরা আমদানিকৃত পেঁয়াজ দ্রুততম সময়ে খালাসে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’বাসস

বার্তা কক্ষ , ২৬ নভেম্বর, ২০১৯