মতলব উত্তর

চাঁদপুরের মতলবে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে শিল্পকলা ভবন নির্মাণ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে দেড় কোটি টাকায় শিল্পকলা ভবন নির্মাণ কাজ প্রায় সম্পন্ন। শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেশের ৪৮৮টি উপজেলায় ‘উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ ’ প্রকল্পের আওতায় মতলব উত্তরে শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মিত হয়েছে।

চাঁদপুর জেলায় এ প্রথম উপজেলা পর্যায়ে অত্যাধুনিক শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ হলো। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ,চাঁদপুর এটি বাস্তবায়ন করছে।

মতলবের গজরা বাজারের পশ্চিম পাশে ২০১৬ সালের ৫ জুন মতলব উত্তর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর প্রাক্কলিত নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ১ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুমি এন্টার প্রাইজ এ ভবন নির্মাণটি করে। ভবনের নির্মাণ কাজ নব্বই ভাগই শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তত্ত্বাবধায়নে সারাদেশে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

মতলব উত্তর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবনে তৃণমূল পর্যায়ে শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতির চর্চা এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ভবনটিতে রয়েছে ৫শ’ আসন বিশিষ্ট মুক্তমঞ্চ। ভবন এলাকায় অন্যান্য বিনোদন হিসেবে মঞ্চের সাথে রয়েছে জলের ফোয়ারা, বাগান এবং মানুষের চলাফেরা করার স্পেস।

এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পিপিতে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় উপজেলায় সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড বিস্তৃতির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলা একাডেমি ভবন ও মঞ্চ নির্মাণ করা হচ্ছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এ উদ্দেশ্যের আলোকে মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সঙ্গে সমন্বয় রেখে স্থানীয় ভাবে শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ, চর্চা, প্রচার, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ এবং জনগণের মাঝে তুলে ধরার জন্যই এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর আহমদ বলেন, ‘ তৃৃণমূলে সংস্কৃতি বিকাশের জন্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মিত হচ্ছে। আমাদের প্রিয় নেতা মতলবের উন্নয়নের রূপকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার প্রচেষ্টায় আমরা প্রথমেই উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণের অনুমোদন ও বরাদ্দ পেয়ে যাই। এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলে গ্রাম পর্যায়ে নতুন প্রজন্ম তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ পাবে। তাদের মধ্য থেকে অসংখ্য শিল্পী,কলাকুশলী,অভিনেতা,সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিসেবী জাতীয় পর্যায়ে গিয়ে অবদান রাখতে পারবে।’

উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি ও নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, ‘ শিল্পকলা একাডেমির কার্যক্রম জেলা হতে উপজেলা পর্যায়ে বিস্তৃত হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে বিগত দিনে ভালো মিলনায়তন, মুক্তমঞ্চ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা না থাকার কারণে সংস্কৃতি চর্চা পিছিয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রীর এ পদক্ষেপের ফলে উপজেলা পর্যায় থেকে অনেকে জাতীয় পর্যায়ে অবদান রাখতে পারবে।’

বার্তা কক্ষ /strong>
আপডেট, বাংলাদেশ সময় ৫:৩০ পিএম,২৭ জুলাই ২০১৮ , শুক্রবার
এজি

Share