কচুয়ায় নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন মিনার, উদ্যোগে প্রফেসর ড. এম আতিকুর রহমান
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার রাগদৈল গ্রামের দক্ষিণপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ভবনের দ্বিতীয়তলায় নির্মিত হচ্ছে একটি উঁচু ও নান্দনিক মিনার। দৃষ্টিনন্দন এ মিনারটি নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। মিনারটি নির্মিত হলে মসজিদের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসী।
কচুয়ার রাগদৈল গ্রামের কৃতী সন্তান, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম আতিকুর রহমানের উদ্যোগ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এ মিনার নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে তিনি রাগদৈল দক্ষিণপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নির্মিত হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এ স্থাপনা।
নির্মাণকাজের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কনস্ট্রাকশনের দায়িত্বে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মো. আল-আমিন। পরিকল্পিত নকশা ও নির্মাণশৈলীতে মিনারটি মসজিদের সৌন্দর্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ উপলক্ষে রবিবার সন্ধ্যায় মসজিদের চলমান নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মিনার নির্মাণের অন্যতম উদ্যোক্তা প্রফেসর ড. এম আতিকুর রহমান। পরিদর্শন শেষে তিনি উপস্থিত মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় মসজিদের ইমাম, খতিব, মুসল্লি, পরিচালনা কমিটির সদস্যসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ধর্মপ্রাণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিলে মসজিদের নির্মাণকাজ নির্বিঘ্নে স¤পন্ন হওয়া, সংশ্লিষ্ট সবার সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, একটি সুন্দর ও আধুনিক ধর্মীয় স্থাপনা হিসেবে রাগদৈল দক্ষিণপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদকে আরও নান্দনিকভাবে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে গ্রামের কৃতী সন্তান প্রফেসর ড. এম আতিকুর রহমানের আন্তরিক উদ্যোগ এবং এলাকাবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতায় মিনার নির্মাণের কাজ এগিয়ে যাওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, নির্মাণকাজ স¤পন্ন হলে দৃষ্টিনন্দন মিনারটি শুধু মসজিদের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করবে না, বরং রাগদৈল গ্রামের ধর্মীয় ও সামাজিক ঐতিহ্যেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হয়ে থাকবে।
প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
৩ নভেম্বর ২০২৬