সংবাদটি কপি করা উচিত হবে না। অনুমতির জন্যে news@chandpurtimes.com

Home / বিশেষ সংবাদ / হাজীগঞ্জে এক ট্রেড লাইসেন্সের ৬২ হাজার ৫শ’ টাকা চেয়ারম্যানের পকেটে
trade-licence

হাজীগঞ্জে এক ট্রেড লাইসেন্সের ৬২ হাজার ৫শ’ টাকা চেয়ারম্যানের পকেটে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটুর বিরুদ্ধে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুদকের এক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) ১১ নম্বর হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি এ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করে।

দুদকের তদন্ত প্রতিনিধি দলের সদস্য ও উপজেলা সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আব্দুল গনি বলেন, এক ট্রেড লাইসেন্সে ৫ হাজার টাকার উপরে ট্রেড লাইসেন্স ফি নেয়ার এখতিয়ার নেই। সেখানে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক হিসেবে ওই টাকা জমা দেয়নি বলে স্বীকার করেছেন।

দুদকের অডিট আপত্তিতে দেখানো হয়, এই ইউনিয়ন পরিষদে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ট্রেড লাইসেন্স ও পারমিট বাবদ রাজস্ব আয় ২১ হাজার ৬৫০ টাকা দেখানো হয়। ওই টাকার রাজস্ব ভ্যাট ৩ হাজার ২৩৪ টাকা নিয়ম অনুযায়ী ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়নি। এদিকে এক ট্রেড লাইসেন্সের বাবদ ৬২ হাজার ৫০০ টাকা কোন অর্থ বছরেই পরিষদের তহবিলে জমা দেয়নি ইউপি চেয়ারম্যান।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে ২৬ জুলাই মেসার্স কেএলবি ব্রিক ফ্লিড থেকে ইউনিয়ন পরিষদের রশিদের মাধ্যমে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন লিটু। সে টাকা ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে জমা পড়েনি।

ইউপি সদস্য খোরশেদ আলম সবুজ বলেন, এক বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদের রাজস্ব আয় ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে ঢুকছে। এছাড়াও আরো একাধিক ট্রেড লাইসেন্সের টাকা ইউপি চেয়ারম্যানের পকেটে আছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

জানতে চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. জাকির হোসেন লিটু বলেন, ট্রেড লাইসেন্সের টাকার আমি সমাজের বিভিন্ন কাজে ব্যয় করেছি।

প্রতিবেদক- মনিরুজ্জামান বাবলু, ২৫ আগস্ট ২০১৯