চাঁদপুর

চাঁদপুরে ইলিশ ধ্বংসের ব্যাংকার আবিস্কার, অতঃপর…

চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের যৌথ অভিযানে চাঁদপুর সদরের পশ্চিম তীরে অবস্থিত রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের দেওয়ান বাজার সংলগ্ন পদ্মা নদী তীরবর্তী এলাকায় ইলিশ ধংসের একটি ব্যাংকার আবিস্কার করেছেন।

গেলো বছরেও এ এলাকায় ১০ মণের অধিক পুতে রাখা জাটকা সংরক্ষণকারী ট্রাস্কফোর্স খূুঁজে পান।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বলের নেতৃত্বে কোস্টগার্ডের অভিযানে এ চিত্র পাওয়া যায় এবং ছবিতে যে খালটি দেখা যাচ্ছে তা এটা প্রকৃতপক্ষে কোনো খাল নয়। এটা জাতীয় সম্পদ ইলিশ ধংস করা অব্যাহত ধারা । চাঁদপুরে র সদরের রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের দেওয়ান বাজার সংলগ্ন পদ্মা নদী তীরবর্তী এলাকায় এ খালটি স্থানীয় আড়তদার ও কিছু সংখ্যক জেলে মিলে অতি সাম্প্রতি কেটেছে।

এ পাশে রয়েছে খালের দু ’ দিকে প্রায় ৭-১০ ফুট উঁচু ব্যাংকার। দিনের বেলায় এ খালে নৌকাগুলো লুকিয়ে রাখে-রাতে বের হয়। দিনে বা রাতে অভিযানের সময় ধাওয়া দিলে এখানে নৌকা লুকিয়ে রেখে ওরা মাটির ব্যাংকারের পিছনে লুকিয়ে অভিযান-মোবাইল কোর্টের লোকজনের ওপর ইট পাটকেল ও মাটির ঢিলা বৃষ্টির মতো নিক্ষেপ করে।

শুক্রবার (১৫ মার্চ ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উজ্জ্বলের নেতৃত্বে কোষ্টগার্ডের অভিযানে এভাবে আক্রমণ করে। ঐ অভিযানে ১০ জনকে আটক করে। অভিযান পরিচালনার একটি চিত্র তাঁর ফেইজবুক স্ট্যাটাসে প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান ।

শুক্রবার ৭ জনকে ১ বছর করে কারাদ- প্রদান ও ৩ জনকে নাবালক বিধায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

স্বচক্ষে আড়তদার ও জেলেদের এ ইনোভেশন দেখলাম বলে তিনি মন্তব্যে উল্লেখ করেন। তিনি আরো লিখেন, ‘এদের রণ প্রস্তুতি দেখে অবাক বিস্ময়ে নির্বাক হবার মতো অবস্থা। এলাকার লোকজনকে জড়ো করে বুঝালাম। ব্যাংকার সংলগ্ন ২টি আড়ত পুড়িয়ে ধ্বংস ও প্রায় ২০ হাজার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।’

অভিযান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মানিক,নৌ-পুলিশের ইনচার্জ আবু তাহের,নৌ -পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সদস্যরা।

এটা কাটার সময় স্থানীয় ইউপি সদস্যগণ কোথায় ছিলেন তা জনতার মনে এখন প্রশ্ন।

প্রতিবেদক- আবদুল গনি
১৭ মার্চ, ২০১৯

Share