৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দোরগোড়ায় বাংলাদেশ। রূপপুরের প্রথম ইউনিটের চুল্লীতে এখন চলছে বিক্রিয়া। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলছে, পরের ধাপগুলো সফলভাবে পার করা গেলে নভেম্বরেই পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশাল বিনিয়োগের কেন্দ্রটিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লীতে জ্বালানি ইউরেনিয়াম প্রবেশ করানো হয় মে মাসে। লক্ষ্য ছিল সেপ্টেম্বরের মধ্যে পারমাণবিক বিক্রিয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন। কিন্তু নিরাপত্তা ভাল্বের ত্রুটি বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দু’দফা উচ্চচাপে ভাল্বের পরীক্ষায় সফল হন রাশিয়ার বিশেষজ্ঞরা। যার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে ১১ অক্টোবর চুল্লীতে বিক্রিয়া শুরু হয়। এবছরই পরীক্ষামূলকভাবে মিলতে পারে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
প্রথমে চুল্লীতে ইউরেনিয়াম পরমাণু ভেঙে শক্তি ও তাপ উৎপাদন করবে। মাসখানেক সেই উচ্চতাপ তৈরির বিক্রিয়ার বিভিন্ন সূচকও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। তারপরের ধাপে উচ্চচাপের পানি বাষ্পে পরিণত হবে। পরে পাইপলাইনে প্রবাহিত তীব্রচাপের বাষ্প ঘোরাবে টারবাইন, যা জেনারেটর ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
রূপপুর প্রকল্পে মোট ব্যয় ১ হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। যার ৯০ শতাংশই এসেছে রাশিয়ার ঋণে।
দুই ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হলে দেশের ১০ ভাগ চাহিদা পূরণ করবে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানির বিদ্যুৎ মিলবে টানা ৬০ বছর।
চাঁদপুর টাইমস ডেস্ক/
১৫ অক্টোবর ২০২৬
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur