Home / চাঁদপুর / সফরমালী উবি’তে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবস উদযাপন
sms

সফরমালী উবি’তে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও শিশু দিবস উদযাপন

চাঁদপুরের উত্তরে সফরমালী উবি’তে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস । স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকী রোববার (১৭ মার্চ) সকাল ১১ টায় মরহুম হারুন অর রশিদ অডিটোরিয়ামে উদযাপন করা হয়।

কর্মসূচি ছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমগ্র জীবনের ওপর আলোকপাত, চিত্রাংকন , কবিতা আবৃতি , দেশের গান ও কুইজ প্রতিযোগিতা । সভাপতিত্ব করেন প্রধানশিক্ষক মো. আবুল কাসেম ও পরিচালনায় ছিলেন সহকারী আবদুল গনি।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন , সহকারী প্রধানশিক্ষক মো. হাসান আলী খান , সহকারী শিক্ষক মো. ইলিয়াছ মিয়া, অফিস সহকারী ইমরুল কাদের। পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন মো .শামীম দেওয়ান ।

বক্তাগণ তাঁর জীবনের ওপর আলোচনায় বলেন ,স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এ নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯তম জন্মবার্ষিকীর এ দিনটিকেই জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয় । তিনি ১৯২০ সালের এ দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

ছাত্র বয়সেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন এবং ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল আন্দোলনে যোগ দেন। যার কারণে তিনি বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন দল বিজয়ী হয়েও রাষ্ট্র ক্ষমতায় যেতে পারে নি। ১৯৭১ এর মার্চে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন ।

১৯৭১ এর ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু এক বিশাল জনসমাবেশে ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

পরবর্তীতে ১৯৭১ এর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দেন এবং ঐ রাতেই তিনি পাকিস্তান শাসক কর্তৃক গ্রেফতার হন। এরপরই শুরু হয়ে যায় আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। জন্ম হয় আমাদের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের। দীর্ঘ নয় মাসের সংগ্রামের পর ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বরে আমরা পাই আমাদের কাংখিত বিজয়।

এ মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রায় ৩০ লাখ লোক শহীদ এবং প্রায় তিন লক্ষ মা-বোন সম্ভম হারিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি পাকিস্তান কারাগার থেকে বঙ্গবন্ধু মুক্তিলাভ করেন। তার পরবর্তীতে তিনি নিজ দেশে এসে রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেন।

ঘাতকরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে বাঙ্গালীর অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যসহ আরোও অনেককে হত্যা করে। বাঙ্গালী জাতির জীবনে নেমে আসে এক অন্ধকার অধ্যায়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মদিনে জাতি তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে ও তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে।

প্রতিবেদক : আবদুল গনি
১৭ মার্চ ,২০১৯