হাইমচর

মেঘনায় বিলীন হতে চলছে হাইমচর নীলকমলের জনপদ

প্রমত্তা মেঘনার স্রোতে বিলীন হতে বসেছে হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নের বিশাল জনপথ করলা দ্বীপ ঈশানবালা । ইতোমধ্যে প্রধান বাজার ঈশানবালা ও তার আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে ভাঙন রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারের গাফলতিতে দায়ী করছে এলাকাবাসী। তবে জনবল সংকটের কথা স্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

হাইমচরের মেঘনা নদীর পশ্চিমপাড়ে নীলকমল ইউনিয়ন। বিগত ক’বছর ধরে এখানে মেঘনার ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলেও এবারের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে গেলো ৬ দিনে তীব্র ভাঙ্গনের শিকার হয়ে প্রায় ৩ কি .মি এলাকার কয়েক শত বসতবাড়ি, বাজার, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, মসজিদ ও বিস্তীর্ণ ফসলী জমি চলে গেছে নদীগর্ভে।

দিনের বেলায় নদী শান্ত থাকলেও রাতে জোয়ারের প্রভাব আর ¯্রােতের কারণে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়ে যায়।

ঈশানবালা ও তার আশ-পাশের জনপদ রক্ষায় পানি উন্নায়ন বোর্ড ৭ কোটি টাকার কাজ দিয়েছিল ডন কর্পোরেশন নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে। গেলো মার্চ মাসে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলে কাজ শেষ করার কথা ছিল প্রতিষ্ঠানটির।

কিন্তু সামন্য কিছু বস্তা ফেলেই গা ঢাকা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এ অবস্থায় ওই ঠিকাদারের বিরুদ্ধে গাফেলতির অভিযোগ এনেছেন এলাকাবাসীসহ জনপ্রতিনিধিরা।

পানি উন্নায়ন বোডের্র উপ -সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জনবল সঙ্কটের কারণে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে না পারার কথা জানালেন।

হাইমচরের ৬ ইউনিয়নের তিনটি হচ্ছে মেঘনা নদীর পশ্চিমপড়ে। শুধু নীলকমল ইউনিয়নের জনসংখ্যা ৩০ হাজার।

: আপডেট, বাংলাদেশ সময় ০৮:৪০ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬, বৃহস্পতিবার
ডিএইচ

About The Author

প্রতিবেদক- মো. জাবেদ হোসেন
Share