কচুয়ায় ফসলি ধানের জমি রক্ষায় খাল খননের দাবি কৃষকদের, স্বারকলিপি প্রদান


কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নের শাসনপাড়া, শিলাস্থান ও টেলিগ্রামের কৃষকের শতশত হেক্টর জমি সহ অনান্য বিলে জলাবদ্ধতার হাত থেকে ফসল রক্ষায় নকশা অনুযায়ী পুরাতন খাল পুণ: খননের দাবিতে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্বারকলিপি স্থানীয় কৃষক ও এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও এলাকাবাসীর পক্ষে টেলিগ্রামে সরকারি খালে অবৈধ স্থাপনা অপসারনের দাবিতে সাবেক ইউপি সদস্য মো: সাদেক পাটওয়ারী এ স্বারকলিপি প্রধান করেন।

স্থানীয় কৃষক হাজী ওয়ালিউল্লাহ, নুরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে বলেন, টেলিগ্রামের শতবর্ষী এই খাল দখল করে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করায় শাসনপাড়া, টেলি, শিলাস্থান ৩ গ্রামের কৃষকের শতশত একর বিভিন্ন ফসল একটু বৃষ্টি হলেই নষ্ট হয়। তাই আমরা টেলিগ্রামে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খালটি পূন খনন করে বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানাই। টেলিগ্রামের কিছু লোকজন খালটি দখল করে বাড়ি-ঘর নির্মাণ করায় এ এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং ঘরবাড়ি ও ফসলি জমিতে পানি জমে থাকছে। একটু ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে যাচ্ছে শতশত হেক্টর ফসলি জমি, প্রতিবছরই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারণ কৃষক। যা কৃষিনির্ভর এলাকার হুমকিস্বরূপ। তাই দ্রুত কৃষক ও ফসলী জমি রক্ষায় টেলিগ্রামের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল খননের দাবি করেন।

এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল বলেন, একটি লিখিত স্বারকলিপি পেয়েছি। তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

-জিসান আহমেদ নান্নু, ৩০ এপ্রিল ২০২৬