সারাদেশ

আশ্বাস পেয়ে অনশন ভাঙলেন মাদরাসা শিক্ষকরা

‘জাতীয়করণের চেষ্টা করা হবে’ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড সচিবের আশ্বাসে অনশন ভাঙলেন ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনশনরত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষকরা এই ঘোষণা দেন। এর আগে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড সচিব উপস্থিত হয়ে অনশনরত শিক্ষকদের সাথে বৈঠক করেন।

এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মাদ্রাসা জাতীয়করণে দাবিতে আমরণ অনশনে টানা ৭ম দিনে ১৭৮ জন ইবতেদায়ি শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ কয়েকজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির ব্যানারে গত ১৫ দিন ধরে অবস্থান ও সাতদিন ধরে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষকরা।

বৈঠকে জাতীয়করণের দাবিতে আমরণ অনশনরত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা হয়।

নিবন্ধিত সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়িী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে ১ জানুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন মাদ্রাসার শিক্ষকরা। কিন্তু দাবি পূরণ না হওয়ায় ৯ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশন শুরু করেন তারা। রোববার ছিল এ অনশনের ষষ্ঠ দিন।

সবশেষ ২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করে সরকার। এরপর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তি বন্ধ ছিল।

এদিকে, তীব্র শীতের মধ্যে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিবন্ধন পাওয়া সব স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচির পালন করছেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা। গত ১ জানুয়ারি থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।

প্রসঙ্গত, দেশে নিবন্ধিত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা রয়েছে ১৮ হাজার ১৯৪টি—তবে চালু আছে ১০ হাজারের মতো, এসব মাদ্রাসায় শিক্ষক আছেন প্রায় ৫০ হাজার। তবে এর মধ্যে ১ হাজার ৫১৯টি মাদ্রাসার ৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষক সরকার থেকে ভাতা পান—এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকরা পান মাসে আড়াই হাজার টাকা ও সহকারী শিক্ষকরা ২ হাজার ৩০০ টাকা।

নিউজ ডেস্ক
: আপডেট, বাংলাদেশ সময় ৫: ৫০ পিএম, ১৬ জানুয়ারি ২০১৮, মঙ্গলবার
এএস

Share