Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Home / জাতীয় / খাদ্যে ভেজালও একপ্রকার দুর্নীতি

খাদ্যে ভেজালও একপ্রকার দুর্নীতি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরোটলারেন্স ঘোষণা করেছে। এই বিষয়ের উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খাদ্যে ভেজাল মেশানোও এক প্রকার দুর্নীতি। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের মতো খাদ্যে যারা ভোজাল মেশাবে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আজ রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ কিন্তু নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করতে অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার ২০১৩ সালের নিরাপদ খাদ্য আইন করেছে।

এরপর এটি বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। তারা বিভিন্নভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। দেশে ২১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদের সক্ষমতা আছে। লক্ষ্য ২৭ লাখ মেট্রিক টনে নিয়ে যাওয়া। অভুক্ত কেউ থাকলে খুঁজে বের করুন, যত বরাদ্দ দরকার দেয়া হবে।

তিনি বলেন, নিরাপদ ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। সবার কাছে খাদ্য পৌঁছে দিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে সমাজের মানুষকে সচেতন হতে হবে। বিষ ক্রিয়ায় দেশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হোক তা আমরা চাই না। খাদ্যে ভেজাল দেয়া এটি আমাদের দেশের কিছু কিছু মানুষের চরিত্রগত বদঅভ্যাস, তাছাড়া আর কিছুই না। এটি বন্ধ করতে হবে।

যদিও ভেজাল বিরোধী অভিযান চলছে তবে এটিকে আরও ব্যাপকভাবে করার জন্য আলাদাভাবে কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযানে সাফল্য আসছে, সামনে আরও সাফল্য পাওয়া যাবে।
বিডি২৪লাইভ

০৩ ফেব্রুয়ারি,২০১৯

Leave a Reply