বিশেষ সংবাদ

দু’স্পিড বোর্টের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী নিখোঁজ

স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় রিতা মাহমুদা নামে এক নারী যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। রবিবার দুপুরের পর থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা শুরু করলেও তীব্র স্রোতের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে ভাগ্যক্রমে এ দুর্ঘটনায় একজন নিখোঁজ থাকলেও ৯ মাসের এক শিশুসহ ৪১ যাত্রী ও দুই চালক বেঁচে যান। স্পিডবোট চালক মোবাইলে কথা বলতে থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। রবিবার দুপুরের পর থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা শুরু করলেও তীব্র স্রোতের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।

বিআইডব্লিউটিসিসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, তীব্র স্রোতে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ রুটে সকাল ৯টার দিকে একই চ্যানেলে মুখোমুখি সংঘর্ষে ৪২ জন যাত্রী নিয়ে ২টি স্পিডবোট ডুবির ঘটনা ঘটে। এ সময় পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একটি ট্রলার যাত্রীদের উদ্ধার করে।

২৪ জন যাত্রী নিয়ে কাঠালবাড়ি ঘাট থেকে আনোয়ার ফকির ও ১৮ জন যাত্রী নিয়ে কাউসার হোসেন শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে এসে ফেরি চ্যানেলের মধ্যে দুর্ঘটনাকবলিত হয়। এতে রিতা মাহমুদা (২৫) নামক এক নারী নিখোঁজ হয়েছেন বলে তার পরিবার অভিযোগ করেন।

এ দুর্ঘটনায় আরো পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত রাজৈর উপজেলার শতবর্ষী গ্রামের ওবায়দুর রহমান, স্ত্রী ও ৯ মাসের শিশু কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌসসহ ৪১ যাত্রী ও দুই চালক ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। দুর্ঘটনার সময় কাউসার নামের চালক মোবাইলে কথা বলছিলেন বলে জানা যায়।

শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন, পরিদর্শক (অপারেশন) আমির হোসেন থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএ’র ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা শুরু করলেও তীব্র স্রোতের কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।। নিখোঁজ রিতা মাহমুদা ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার পুলিয়া পররা গ্রামের আইয়ুব মীরের মেয়ে।

পরিদর্শক (অপারেশন) আমির হোসেন জানান, দুর্ঘটনাকবলিত কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। এক যাত্রী নিখোঁজের অভিযোগ পেয়েছি। নিখোঁজ যাত্রীকে উদ্ধার অভিযান চলছে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চালক মোবাইলে কথা বলছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Share