ফিচার

জাতির পিতার জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ার পথে (৩য় পর্ব)

পূর্ব প্রকাশের পর, (আগের পর্বগুলো লিংকলেখার শেষে রয়েছে)
আমাদের কারো জোহর নামাজ আদায় ও ঘুরাঘুরি শেষ হওয়ার পর এবার সভাপতি শহীদ ভাই তার গাড়ি থেকে ফুলের তোড়াটি হাতে নিলেন এবং আমরা সবাই শৃংখলা বদ্ধভাবে সমাধি সৌধের ২ নং গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলাম।

সৌধ ইমারতের তিনধারেই উন্মোক্ত খোলা মেলা চত্বর। একটু ঢুকেই যখন ডানদিক নজর ফেল্লাম, অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে রইলাম সবাই। এ কি! এতো সুন্দর স্মৃতিসৌধের সদর দরজা? এতো সুবিশাল লম্বা! একটা ঝরনা থেকে পানি পড়ছে অনবরত! মনে হলো এ আমার বাংলার আবহমান বাংলার স্রোতস্বিনী নদীকে বুঝানো হয়েছে।

কবি অন্ন দা শংকরের সেই কালজয়ী কবিতার লাইন দুটো-
যতদিন রবে পদ্মা যমুনা, গৌরি মেঘনা বহমান, ততকাল রবে কীর্তি তোমার, শেখ মুজিবুর রহমান, দিকে দিকে আজ রক্তগঙ্গা, অশ্রুগঙ্গা বহমান
তবু নাহি ভয় হবে হবে জয়, জয় মুজিবুর রহমান। ”

বঙ্গবন্ধুর মাজারে চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতির সাথে লেখক

আমরা খুব স্থির পায়ে এগিয়ে গেলাম সমাধি সৌধের বাইরে একটু উত্তর দিক ঘেষে নির্মিত পুষ্প বেদীমূলে। যারাই জাতির পিতাকে শ্রদ্ধান্জলি নিবেদন করবেন তারা এই বেদীতে একটু উচ্চ স্থানটিতে পুষ্পস্তবক রেখে যাবেন।

এখানে সম্পুর্ন এবং ব্যতিক্রম একটি জিনিস চোখে পড়লো! আর তা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর কবর থেকে এর দূরত্ব ১০ / ১২ গজের মতো।! কিন্তু আমরা অনেক নেতা বা পীরের কবর বা মাজারে দেখি, তার মূল কবরের উপরেই ফুলের তোড়া নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে! যা শোভনীয় তো নয়ই, আর আমার ধর্মও বোধকরি সেটিকে গ্রহন করে না!

যাক আমরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে গেলাম ফুলের তোড়াটি নিয়ে। এই বেদীটি একটু দূরত্বে ঠিক, কিন্তু হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বঙালি কবরটি যেন একদমই কাছে! আমার হাত পা হীম শীতল হয়ে আসছিলো, একদিকে ভয়, অন্যদিকে একটা অপরাধবোধ! এলাম, তো এতোদিন পরে কেন? তিনি বিদ্রুপ করছেন না তো? আবার যখন চিন্তা করছি আমি এবং আমরা যারা এসেছি তারা সৌভাগ্যবান দেশের স্থপতির চরণতলে একগুচ্ছ ফুল রেখেযেতে পারছি। এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি কি কিছু হতে পারে?

অতপর আমরা বেদী মূলে পুস্পস্ত অর্পণ করলাম। প্রায় ৫ মিনিট আমরা দাঁড়িয়ে থাকলাম। কারো মুখে যেন কথাই নেই!
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে মোনাজাত হবে। কিন্তু সে মোনাজাত পরিচালনা তো আর যে কেউ দিলে হবে না! মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রীয় অতিথিরা এলে যে ঈমাম সাহেবকে লাগবে। ওনাকে খোঁজে আনা হলো। হুজুর সাংবাদিক এবং চাঁদপুরের কথা শুনেই এলেন। দুহাত তুলে মোনাজাত তুল্লেন। মহান আল্লাহর কাছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতার কন্যা শেখহাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের জন্য দোয়া চাইলেন আল্লাহর কাছে। বঙ্গবন্ধু সহ যারা শহীদ হয়েছেন তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করলেন। আমাদের জন্য দোয়া করলেন। সত্যি আল্লাহর কাছে চাওয়ার যে আকুতি , তার সবটাই তিনি করলেন।

মোনাজাত শেষ করে আমরা বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধের অর্থাৎ সমাধি পাশে ঢুকে গেলাম।

এই তো জাতির পিতার সমাধি!আমার সামনে! আমি কী নিষ্প্রাণ মুজিবকে দেখতে এসেছি!! আমি কী সেই বজ্র কন্ঠ শুনতে পারবো না? হে, মহান তুমি কী জাগিয়ে দেবে আমার জাতির পিতাকে? আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছি না? আমি কেন? যারাই আমরা ভেতরে, তাঁর সমাধি পাশে, সবারই এমনসব প্রশ্ন! কিন্ত উত্তর মিলছে না! ( বাকি অংশ পরবর্তী সংখ্যায়)

ঘাতকদের এই হিমালয়সম মানুষটাকে মারতে এতোটুকুও হাত কাপলো না? বুক কাঁপলো না? সমাধি পাশে তাঁর এতো বড় কবরের সাইজটুকুন দেখে মনে হলো তিনি উচ্চতা প্রস্বস্তায়ও কতোটা আকৃতির মানুষ ছিলেন। আর নেতা হিসাবে সুশাসক হিসাবে তো দেশ কাঁপানো মানুষ!

সবমিলায়েই তো কিউবার লৌহমানব হিসাবে পরিচিত প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ফিদেল ক্যাস্ট্রো মন্তব্য করেছিলেন- আমি হিমালয় দেখিনি, তবে দেখেছি শেখ মুজিবকে। বঙ্গবন্ধুর সমাধিকে ঘিরে রাখা রেলিং এ হাত রেখে অশ্রুসিক্ত নয়ন আর হৃদয়কে এক করে ভাবলাম – এই পৃথিবীর কিছু মানুষ নিষ্ঠুর থেকে নিষ্ঠুরতম! যাদের সারিতে ডালিম, রশিদ, ফারুক, রাশেদ চৌধুরী, মোসলে উদ্দীনসহ আরো কতোগুলো কুলাঙ্গার। মাষ্টার মাইন্ড হিসাবে খুনি মুশতাকসহ আরো ক’জন অভিযুক্ত ইতিহাসের পাতায়।

প্রেসক্লাবের সভাপতি আমাদের শহীদ ভাই, সাধারণ সম্পাদক বন্ধুবর লক্ষণ চন্দ্র সূসূত্রধর, সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাৎ, শরীফ চৌধুরী , গোলাম কিবরিয়া জীবন, বর্তমান সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন ও জিএম শাহীন, শোভন, শান্ত, মুহম্দদ ইব্রাহীম, হাসান মাহমুদ, তালহা, সালাম আজাদ, কানন, রিয়াদ ফেরদৌসসহ আমি আমাদের সহযাত্রী সবাইকেই দেখলাম যে, কারোই যেন মনের ব্যথাটি কোন অংশে কম অনুভত হচ্ছে না! সবার মনে জাগা প্রশ্নগুলো ঠিক আমারই মতন।

দেখলাম বঙ্গবন্ধুর কবরের দুই তিন হাত দূরেই বঙ্গবন্ধুর বাবা এবং মায়ের কবর। বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫ মাস আগে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছিলো। বাবার কবরটা না শুকানোর আগেই সন্তানের লাশ শায়িত হলো তাঁর পাশে। খুনিরা নানা হিসাব নিকাশ করে আমার কাছে মনে হলো – সৃষ্টি কর্তাই যেন তাদের হুকুম দিলো ওরে পাষান, বর্বররা! যা কিছুই করলি তো এ সন্তানকে তার মাটিতে রেখে আয়!

তবে তাদের ছিলো বড় ধরনের কুটচাল! ‘ আর তা হচ্ছে এই মহা মানবকে যদি ঢাকা রাজধানীতে তারা দাফন করে তাহলে তিনি জাতির পিতা এবং পৃথিবীর মহান নেতা হিসাবেই মর্যাদা পেতে থাকবেন এবং বিপ্লব শুরু হয়ে যাবে হয়তো ১৬ আগষ্ট থেকে। তাই অজপাড়া গা তার জন্মস্থানে রেখে আসি, একদিন হয়তো ঐ কবরের অস্তিত্বও মিলবে না!- মর্যাদা আর সম্মান তো দূরে থাক। ৫৭০ সাবানে গোসল দিয়ে এক টুকরো সাদা কাফণে কোনরকম জানাজা দিয়ে মাটিচাপা দিয়ে রেখে আসি।!

আর কেউ খোঁজ নেবে না! টুঙ্গিপাড়ায় আসবে কে? আমি হয়তো আমার অবিব্যক্তি বা ধারণাটা করছিলাম তার সমাধি সৌধ পাশটায় দাঁড়িয়ে। যদিও জাতির পিতাকে কেন টুঙ্গিপাড়ায় শায়িত করা হয়েছিল , এ নিয়ে অনেক জ্ঞানী গুনি, রাজনীতিক, রাজনীতিক বিশ্লেষক, লেখক, বুদ্ধিজীবীদের এমনকি যারা খুনি তারা হয়তো এ বিষয়টি বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে বিশ্লেষন করেছেন লিখনে এবং কথনে । আমার তাদের বিষয়ে কোন দ্বিমত করার সুযোগ নেই।

তবে আমার কেবলি মনে হলো- ১৯২০ থেকে ১৯৭৫। জাতির পিতার যে মাটি, গ্রাম, নদী সড়ক তাকে এতোটা সময়ে বাংলার অবিসংবাদিত নেতা তৈরি করেছে- সেটির মূলে রয়েছে টুঙ্গিপাড়া টুঙ্গিপাড়া এবং শেষ পর্যন্ত গোপালগন্জের টুঙ্গিপাড়া!

এবং এই শেখ বাড়ি।
আমার সেখানে দাঁড়িয়ে এমনসব বুদ্ধিজীবীদের কথা মনে পড়ছিলো যারা অতি আবেগ উচ্ছাসে দাবি রেখেছিলো, বঙ্গবন্ধুর কবর যেন ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

এই হীনসব প্রস্তাব ৪৪ বছরেও টিকেনি।! কারণ বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী কখনো সায় দেননি। দেবেনও না।
আরে জাতির জনক তো তাঁর মাটিতে ইট পাথরের গড়া রাজধানীর চেয়ে টুঙ্গিপাড়ায় পরম শান্তিতে ঘুমায়! সারাদেশ থেকে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে টুঙ্গিপাড়ায়! দলবেঁধে আসে বিদেশীরাও। সামান্য বিরক্তির ছাপ আগন্তুকদের চোখে মুখে নেই। এমন ছায়া সুনিবিড় গ্রাম! যে গ্রাম আর বাংলার অন্যসব হাজার গ্রাম ছিলো জাতির পিতার প্রাণ!

কবর সৌধ ঘুরছি প্রায় ২০ মিনিটের মতো। সেখানে ক্যামেরা নেয়া নিষেধ তবে মোবাইলে ছবি তোলা যাবে। কখনো আমায় ইয়াসিন ইকরাম, শাহীন, ইব্রাহীম, মোর্শেদ, হাসান ভাই ছবি তুলতে সাহায্য করলেন।

চিন্তা করলাম যে মুজিবের নিশানা মুছে ফেলার চেষ্টা করলো ওরা! আজ তার আঙ্গিনায় মানুষ ধরে না! বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ এমনি রবে ঢল, এতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই।

ঘুরে ফিরে দেখলাম তাঁকে। একসময় বেরিয়ে আসতে হলো। সমাধি সৌধের দরজায় দাঁড়িয়ে সৃষ্টি কর্তার কাছে এইটুকু চাইলাম – হে খোদা দয়াময় তুমি আমার সকল সন্তান, আত্মীয় স্বজনকে টুঙিপাড়ায় অন্তত একবার আসার সুযোগ করে দিও। সুযোগ করে দিও প্রজন্মকে। ওরা যেন জানে – জীবিত মুজিবের চেয়েও মৃত মুজিব অনেক অনেক বেশী শক্তিশালী।

আমরা সমাধি সৌধের বাইরে এসে আবার গ্রুপ ছবি তুল্লাম। এবার আমাদের আরেক পালা শুরু হলো সমাধি সৌধের নান্দনিক চারপাশ ঘুরে দেখার।

এবার আমরা বঙ্গবন্ধুর সমাধির উত্তর ধারে প্রবেশ করলাম। এটি সৌধ কমপ্লেক্সের ভেতরেই। সেখানে টিয়া সবুজ রঙের একটি ভবন। তিতল এই ভবনটি খুব পুরানো নয়। সম্ভবত: প্রধানমন্ত্রী, তার পরিবার টুঙ্গিপাড়া বাড়ি গেলে এই ভবনে থাকেন। এখানে নীচতলায় বসার জায়গা আছে। তবে আমরা যখন গেলাম তখন দেখলাম, এটিতে তালা দেয়া। আর এই ভবন সম্পর্কে কৌতহল বা জানার আগ্রহও বেশি নেই, কারণ এটি তাদের বাসভবন। তবে ভবনটির চাকচিক্য বাইরে থেকে তেমন চোখে পড়েনি।

তবে এর নীচ তলায় এক কোণে বঙ্গবন্ধুর একটি ছবি দেয়ালে টানানো। তৈলচিত্রে আঁকা এ ছবি অপূর্ব! আমরা ছবিটিসহ অনেকেই ছবি তুল্লাম।এরই সামনে একটি বাগানবিলাস গাছ। ফুল ফুটে আছে একেবারে গাছটির উপর নীচে। গোলাপি রঙে রাঙানো এই ফুল গাছটি যে কেউ দেখলে চোখ ফেরানোর সুযোগ সে খোঁজবে না!

আমাদের দলের প্রায় সবাই তার তলায় গিয়ে কিংবা পাশে গিয়ে ছবি তুলেছে। আমিও এর ছায়া সুশীতল তলায়টা বসে ছবি তুল্লাম। হঠাৎ চোখে পড়লো এরই একটু পাশে তিতল ভবনটি লাগুয়া একটি ছোট বাগান। বাগানটিতে ফুলগাছ বা ফুলের উপস্থিতি নেই। কিন্তু আছে যেটি, সেটি সকল নান্দনিকতাকে ছাড়িয়ে!

হ্যাঁ, বঙ্গবন্ধুর প্রিয় বাহন, প্রিয় প্রতীক একটি “নৌকা”। আছে তার বৈঠা, এবং ছৈইয়া । তাহলে তা কি কাঠে বাঁশে তৈরি? লোহা ষ্টিলে? কাগজে? না! এর কোনটাই না। নৌকাটি ছোট ছোট গাছ সেঁটে এমনভাবে তৈরি করা, যা দেখলে অবাক বিশ্ময়ে তাকিয়ে থাকা! কে এই শিল্পী যে কিনা এতো সুচারুভাবে জ্যান্তসব গাছে নৌকার রূপ দিলো?

মজার ব্যাপার হচ্ছে, আমার কেন জানি মনে হলো আমাদের অনেকেরই চোখ এড়িয়ে গেছে এই নৌকা! বাংলার সবুজ শ্যামল রূপখানি যেন সবই তার শরীর জুড়ে। নৌকার পাশে গিয়ে ছবি নিলাম। হাসান ভাই এসে ছবিটি তুলে দিলেন। সবাই সমাধি সৌধ থেকে বেরিয়ে এসে খন্ডে খন্ডে ঘুরা শুরু করাতে আসলে যে যার মতো করে স্মৃতি ধরে রাখবার মতো ছবি নিচ্ছিলো।

হঠাৎ দেখি জীবন ভাই আমার কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। কোন জায়গা খোঁজছিলেন যেখানের ছবি নিতে পারেন। দেখালাম এটি কী? বল্লেন নৌকা! গাছ ছেঁচে? ভারী সুন্দর তো ! বঙ্গবন্ধুর নৌকা। ছবি নিলেন। তারপর আমি ওনাকে বল্লাম, আমার সাথে একটু আসেন। চলো। নিয়ে গেলাম একেবারে সমাধি সৌধের বাইরে পশ্চিম পাশ দিয়ে চিকন রাস্তা যেটি বঙ্গবন্ধুর আদি বাড়ি গিয়ে পৌঁছেছে।

অর্ধেক দেয়াল, ইটের ভাঙা স্তুপ, টিনের আধাপাকা ঘর। মনে পড়ছিলো এ বাড়ির খোকা এই চিকন সরু রাস্তাটি দিয়ে কতো না দৌড়াদৌড়ি করেছে। চিৎকার হইহট্টগোল করে খেলার মাঠে দৌঁড়েছে, আবার যখন সে টগবগে যুবক, নয়তো বঙ্গবন্ধু উপাধীতে ভূষিত হয়েছে নয়তো যখন স্বাধীন বাংলাদেশটি উপহার দিয়েছে, তখন কতো না জোস্না রাতে, প্রখর রোদে নিজের ঘরটা ছেড়ে বাড়ির অন্য সবার সাথে দেখা করতে এসেছে।

জীবন ভাইকে তাই বলছিলাম যখন তিনি মাথা নাড়লেন। কতোক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পর ডাক এলো সবাই বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সামনটায় যাচ্ছে। সেখানটা অনেক সুন্দর। (বাকি অংশ পরবর্তী সংখ্যা)

জাতির পিতার জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ার পথে-১ম পর্ব

জাতির পিতার জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়ার পথে-২য় পর্ব

লেখক : ইকবাল হোসেন পাটওয়ারী,
সাবেক সভাপতি, চাঁদপুর প্রেসক্লাব,
চাঁদপুর প্রতিনিধি, দৈনিক সমকাল
প্রকাশক ও সম্পাদক : চাঁদপুর প্রতিদিন

Share