Home / সারাদেশ / ঢাবি ভিসির সন্তানসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আছেন যারা

ঢাবি ভিসির সন্তানসহ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আছেন যারা

সম্মেলনের এক বছর পর ছাত্রলীগের কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়েছে। সোমবার *(১৩ মে) ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের প্রায় এক বছর পর ঘোষিত ছাত্রলীগের এ কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সম্পাদক পদ পেয়েছেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের ছেলে আশিক খান।

এর আগে তিনি ছাত্রলীগের ঢাকা জেলা চিকিৎসা শাখার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

সংগঠনটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন জানান, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে তালিকা পাঠানো হয়েছে।

পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহসভাপতি হয়েছেন ৬১ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ১১ জন, সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ পেয়েছেন ১১ জন। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক সব সম্পাদক এবং সহ সম্পাদক ও উপসম্পাদকের নামও ঘোষণা করা হয়।

সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সঙ্গে সহসভাপতি হিসেবে যারা রয়েছেন তারা হলেন-

আল নাহিয়ান খান জয়, তানজিল ভূঁইয়া তানভীর, রেজাউল করিম সুমন,সোহান খান, আরেফিন সিদ্দিক সুজন, আতিকুর রহমান খান, বরকত হোসেন হাওলাদার, আবু সালমান প্রধান শাওন, ইয়াজ আল রিয়াদ, শওক্তুজ্জামান সৈকত, এম সাজ্জাদ হোসেন, ইমরুল হাসান নিশু, শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ, সরকার জহির রায়হান, ফুয়াদ রহমান খান, সাদিক খান, ইসরাত কাসফিয়া ইরা, তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী, এস এম তৌফিকুল হাসান সাগর, মো: তৌহিদুর রহমান হিমেল, মাহমুদুল হাসান, নাসির উদ্দিন, মনজুর মোর্সেদ অসীম।

সাইফুল ইসলাম জনি, শহিদুল ইসলাম, সুজন ভূঁইয়া, ফরহাদ হোসেন তপু, তৌহিদুর রহমান পরশ, আপেল মাহমুদ, কামাল খান, আলিমুল হক, আওলাদ খান, সৈয়দ আরিফ হোসেন, মাজহারুল ইসলাম শামীম, আসাদুজ্জামান সোহেল, খালিদ হাসান নয়ন, জাহাঙ্গীর মঞ্জিল পিপাস, আবু সাঈদ (সাস্ট) আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নুরে-আলম আশিক।

তানজিদুল ইসলাম শিমুল, রুহল আমিন, ইসমাইল হোসেন তপু, মহিউদ্দিন শিকদার লিপু, নজরুল ইসলাম, সোহানী হাসান তিথি, মাহমুদুল হাসান তুষার, এস এম হাসান আতিক, সুরঞ্জন ঘোষ, মাজহারুল ইসলাম মিরাজ, জিয়ান আল রশিদ, হাফিজুর রহমান, আরিফুল ইসলাম আরিফ (জা.বি), রাকিব উদ্দিন, সোহেল রানা, আয়নাল সর্দার, নিশাত সাদিয়া খান মিলি মুনমুন নাহার বৌশাখী, আসীম কুমার বৈদ্য, তরিকুল ইসলাম, সাইদুর রহমান সম্রাট।

সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানির সঙ্গে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে যারা রয়েছেন তারা হলেন-

লেখক ভট্টাচার্য, প্রদীপ চৌধুরী, আরিফুজ্জামান আল ইমরান, শামস-ই-নোমান, মো: শাকিল ভূঁইয়া, মহিউদ্দিন আহম্মেদ, মোর্শেদুল হাসান রুপম, মাহাবুব খান, বেনজীর হোসেন নিশি, বেলালা হোসেন বিদ্যুৎ, তাহসান আহম্মেদ রাসেল।

সাংগঠনিক সম্পাদক মোট ১১জন হয়েছেন। তারা হলেন- মামুন বিন সাত্তার, সাজ্জাদ হোসেন, ফেরদৌস আলম, মুজাহিদুল ইসলাম সোহাগ, সাদ বিন কাদের, সোহানুর রহমান সোহান, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, নাজিম উদ্দিন, নাজমুল সিদ্দিকি নাজ, বরিকুল ইসলাম বাঁধন, সাবরিনা ইতি।

অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন রাকিব হোসেন। এই কমিটিতে রয়েছেন চারজন উপ-অর্থ বিষয়ক। এরা হচ্ছেন- মেহেদী হাসান, বোরহান উদ্দিন, তড়িৎ চৌধুরী ও মহসিন খন্দকার।

আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত। এই কমিটিতে রয়েছে চারজন উপআইন বিষয়ক সম্পাদক। এরা হচ্ছেন- মো. সুজন শেখ, শাহাদুল হাসান আল মুরাদ, বি এম শরিফুল ইসলাম সবুজ ও আপন দাস।

পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শামীম পারভেজ। এই কমিটিতে আছে তিনজন উপসম্পাদক। এরা হচ্ছেন কে এম রাসেল, মোস্তক আহম্মেদ সোহাগ ও বাদশা শাওন।

স্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন পুতুল চন্দ্র রায়। এই কমিটিতে রয়েছেন তিনজন উপস্কুল ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক। এরা হচ্ছেন রোকনুজ্জামান রোকন, আব্দুল কাইউম হীরা, পলাশ কুমার দাস।

ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আল-আমীন সিদ্দিক সুজন। তার সঙ্গে উপক্রীড়া সম্পাদক পদে রয়েছেন আরও তিন জন। তারা হলেন- মেহেদি হাসান, এনামুল হক তানান, বায়েজিদ কোতয়াল।

বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পদক সাদুন মোস্তফার রঙ্গে উপবিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক রয়েছেন আরও চার জন। তারা হলেন-আবু সাইদ কনক, সবুর খান কলিন্স, খন্দকার হাবিব আহসান, মো. মাহফুজুর রহমান।

আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাকিনুল হক চৌধুরী। আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপসম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আরও ৫ জন। তারা হলেন- ফুয়াদ হাসান, মিহির রঞ্জন দাস, এম এম মাহবুবুর রহমান সালেহী, ওয়াহিদুজ্জামান লিখন, এম এম শওকত হোসেন।

পাঠাগার সম্পাদক হয়েছেন জাভেদ হোসেন। সঙ্গে রয়েছেন উপসম্পাদক হিসেবে ৫ জন। তারা হলেন- জিয়াসমিন শান্তা, শাহিন আলম, রুশী চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম।

তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক পল্লব কুমার বর্মন। সঙ্গে উপসম্পাদক হয়েছেন আরও ৩জন। তারা হলেন- আব্দুর জব্বার রাজ, সরোয়ার আলম, আসাদুল ইসলাম রুবেল।

তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিতে সম্পাদক হয়েছেন শাকিল আহমেদ জুয়েল বাবু। সঙ্গে ‍উপসম্পাদক রয়েছেন ৫ জন। তারা হলেন- রশিদ শাহরিয়ার উদয়, আশিকুর রহমান রুপক, সাদিকুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ, আক্তার হোসেন।

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তাজ উদ্দিন। তার সঙ্গে রয়েছেন ৪ জন উপসম্পাদক। তারা হলেন- মনিরুজ্জামান বাবু, জামান শাহেদ, রবিন বাহাদুর, রিন্টু বড়ুয়া।

গণশিক্ষা বিষয়ে সম্পাদক হয়েছেন আবদুল্লাহ হীল বারী। উপসম্পাদক রয়েছেন ৩ জন। তারা হলেন: নাহিদ উকিল জুয়েল, মনিরুজ্জামান তরুন, সোলায়মান হোসেন মুন্না।

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হয়েছেন ইমরান জমাদ্দার। সঙ্গে উপসম্পাদক রয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন- ফেরদৌস শাহরিয়ার নিলয়, ফারুক আহম্মেদ, সালেকুর রহমান শাকিল, মাজহারুল রহমান শাকিল, মাজহারুল হক মাহফুজ।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন শাহরিয়ার ফেরদৌস হিমেল। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক। তারা হলেন- শাফিউল ইসলাম সাজিব, ফুরকান চৌধুরী, ডাঃ শাহজালাল, রাতুল সিকদার।

সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন আসিফ তালুকদার। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক। তারা হলেন- শরিফুল ইসলাম, সর্দার আরিফুল ইসলাম, রিয়াদ হাসান।

প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন হায়দার মোহাম্মদ জিতু। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক। মেশকাত হোসেন, বি এম ইমরান হোসেন মানিক, মো. সোহাগ হোসেন।

কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. রণি। এছাড়া উপসম্পাদক হয়েছেন ৪ জন। তারা হলেন- খাদেমুল বাশার জয়, তানভীর রহমান মাহীদ, বায়জিদ হোসেন, অভমিন্যু বিশ্বাস অভি।

নাট্য ও বিতর্ক বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন জুয়েল মোল্লা। তার সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপ-সম্পাদক। তারা হলেন: মাজহারুল কবির শয়ন, নুরে আলম লিটন, নাইমুর রহমান রানা।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন আসিফ ইকবাল অনিক। সঙ্গে রয়েছেন ৫ উপসম্পাদক। তারা হলেন- ওবায়দুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান খান, মো: তুষার, রাকিবুল ইসলাম সাকিব, সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

আপ্যায়ন সম্পাদক হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম ফাহাদ। সঙ্গে রয়েছেন ৪ উপসম্পাদক। তারা হলেন- হারুন-অর-রশিদ, শাহিন তালুকদার, খাজা খায়ের সুজন, শাহরিয়ার মাহমুদ রাজু।

মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মেহেদী হাসান তাপস। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক। আরিফ মাহমুদ (৭১ হল), হেলাল উদ্দিন, রনক জাহান রাইন।

মানবসম্পদ উন্নয়দ সম্পাদক হয়েছেন মো. নাহিদ হাসান শাহিন। সঙ্গে রয়েছেন ৪ জন উপসম্পাদক। তারা হলেন- হীরণ ভূঁইয়া, সোলায়মান খান সুজন, মহিউদ্দিন অপু, বেলাল হোসেন মুন্না।

ছাত্র-বৃত্তি সম্পাদক হযেছেন আতাউল গনি কৌশিক। সঙ্গে রয়েছে ৪ জন উপ-সম্পাদক। তারা হলেন: ইউসুফ উদ্দিন খান, শ্রাবনী শায়লা, শহনেয়াজ কবির সানী, ফৌজিয়া ইসলাম তামান্না।

কৃষি-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মাকসুদুর রহমান মিঠু। সঙ্গে রয়েছেন ৩ জন উপসম্পাদক। তারা হলেন- মিজানুর রহমান রুদ্র, মিয়া মোহাম্মদ রুবেল, রবিউল ইসলাম হাসিব।

কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সাদ্দাম হোসেন। সঙ্গে উপসম্পাদক রয়েছেন আরও ৪ জন। তারা হলেন- আল-মামুন, আল ইমরান, শাহাদত হোসেন, এম নজরুল ইসলাম।

সহসম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোট ২৩ জন। তারা হলেন- ফারজানা ইয়াসমিন রাখি, আশিক খান, তামান্না তাসনিম তমা, মো: ফজলে রাব্বি খান, শরিফ হাসান, মো: মেহেদী হাসান রাজু, নওমি সুমাইয়া রহমান, সীমান্ত হোসেইন, রেজাউল করিম (টঙ্গী কলেজ), সাইদ খান শাওন, রুবেল হোসেন, রনি চৌধুরী, ওমর ফারুক পাংকু, সোহেল ভূঁইয়া, রাশেদ ফেরদৌ আকাশ, আসমা সিদ্দিকা আশা, ফারুক হোসেন, সৈয়দ ফয়সাল হাসান, আঞ্জুমানারা অনু, মারুফ মোর্শেদ পাভেল, সাইফুর রহমান (সিলেট) রাফি সাকিব, শেখ আরজু।

কমিটির অন্তত ১২ জন নির্বাহী সদস্যের তালিকাও গণমাধ্যমের হাতে রয়েছে। তারা হলেন- ইন্দ্রনীল দেব শর্মা রনি, আশিকুজ্জামান বাপ্পী, ফয়সাল করিম দাউদ খান, আশিকুর রহমান রাজিব, পরশ রহমান রাফসানজানী, শাহাদাৎ হসেন রকি, সাখাওয়াত হোসেন মিলন, সাইফুল সিরাজ, কাওসার আহমেদ বিজয়, রহিমা আক্তার মুক্তি, রাকিব বিন আলমগীর।

এরআগে, গত বছরের ১১-১২ মে ছাত্রলীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের আড়াই মাস পর (৩১ জুলাই) সভাপতির পদে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক পদে গোলাম রাব্বানীর নাম ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। -কালেরকণ্ঠ

বার্তা কক্ষ
১৩ মে ২০১৯