Home / উপজেলা সংবাদ / মতলব দক্ষিণ / জেলায় ৪র্থ- মতলব দক্ষিণে শীর্ষে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল
কেএফটি

জেলায় ৪র্থ- মতলব দক্ষিণে শীর্ষে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেছেন চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলাধীন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল। ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করেই মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার শীর্ষস্থান অর্জন করেছে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল। এছাড়া চাঁদপুর জেলার মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

কেএফটি কলেজের স্কুলের অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের দুটি বিভাগ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১৯ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। তন্মোধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ২৩ জনের মধ্যে ১৮ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ২জনের মধ্যে ১ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। গড় পাশের হার ৭৬%।

কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম ব্যাচ হিসেবে অংশ নিয়েই এ ফলাফল অর্জন করায় সামাজিক, রাজনৈতিক এবং বিভিন্ন মহলে প্রশংসা করেন এবং প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।এ ফলাফল মতলববাসীর জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। এ ফলাফলের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর মতলব উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পাশাপাশি চাঁদপুর জেলায় চতুর্থ স্থান অধিকার করায় কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেছেন অভিভাবকরা।

এ সাফল্যে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মো. বেলায়েত হোসেন জুলহাস এবং অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন কামাল।
তাঁরা বলেন, শিক্ষার্থীদের এ অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। প্রথমবারের মতো এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েই শিক্ষার্থীরা যে ফলাফল অর্জন করেছে, তা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আগামীতে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো ফলাফল অর্জন করবে বলে আমরা আশাবাদী।

তাঁরা আরও বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠনে প্রতিষ্ঠানটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শিক্ষানুরাগী মতলববাসীর দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন তাঁরা।

কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের এ সাফল্যে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাই আনন্দিত। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

প্রতিবেদক: মাহফুজ মল্লিক/
২ নভেম্বর ২০২৬