Home / উপজেলা সংবাদ / ফরিদগঞ্জ / ৩০ হাজার জমা, রশিদ ২০ হাজারের – ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

৩০ হাজার জমা, রশিদ ২০ হাজারের – ফরিদগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

বিদ্যুৎ লাইনে হুকিংয়ের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চাইলেও রেহাই মেলেনি। উল্টো জরিমানার অঙ্কে রহস্য, রশিদে গরমিল এবং পুনঃসংযোগে টালবাহানার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের এক ভুক্তভোগী গ্রাহক।

মঙ্গলবার (১২ মে ) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চির্কা গ্রামের ব্যবসায়ী ফরিদ মিজি অভিযোগ করেন, চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিস তার ও তার প্রতিবন্ধী চাচা শাহআলম মিজির বিদ্যুতের মিটার খুলে নিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করে।

সংবাদ সম্মেলনে আবেগঘন কণ্ঠে ফরিদ মিজি বলেন, “ভুল করেছি, সেটা স্বীকার করেছি। ক্ষমাও চেয়েছি। কিন্তু আমাকে বারবার অফিসে ঘুরিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।”

তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ধর্ণা দিতে দিতে জরিমানার পরিমাণ ধাপে ধাপে কমিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে ৬২ হাজার, পরে ৫২ হাজার, ৪৬ হাজার এবং সর্বশেষ ৩০ হাজার ৪৭৬ টাকায় নির্ধারণ করা হয়।

ফরিদ মিজির অভিযোগ, গত ১১ মে তিনি নির্ধারিত পুরো টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান, তাকে দেওয়া রশিদে উল্লেখ আছে মাত্র ২০ হাজার টাকা। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।

এদিকে টাকা জমা দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগ পুনর্বহালের কথা থাকলেও মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত সংযোগ না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলন শেষে পুনঃসংযোগের জন্য পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গেলে তড়িঘড়ি করে তার হাতে আরও ৮ হাজার টাকার একটি ‘পরিশোধিত বিদ্যুৎ বিল’ ধরিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি উপজেলা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সাইফুল আলম বলেন, “কাগজপত্র না দেখে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”

প্রতিবেদক: শিমুল হাছান, ১২ মে ২০২৬