হাজীগঞ্জ

হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়ক যেনো চাষাবাদের জমি!

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা দিনের পর দিন উন্নয়নের ছোয়াঁ লাগলেও গত কয়েক বছর ধরে তেমন কোন কাজ করতে দেখা যায়নি হাজীগঞ্জ-কচুয়া সড়ক।

বর্তমান বর্ষার সময় সড়কটির এমন অবস্থা হয়েছে, সাধারণ পথচারীদের বলতে শোনা যায়, ‘রাস্তা তো ন, এ যেনো চাষের জমি।’

বর্তমানে যানবাহনসহ সাধারণ পথচারীদের জন্যেও এটি চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ।

গত এক যুগ থেকে সড়কটি নতুন ভাবে চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রামসহ বেশ কিছু জেলার যানবাহন হাজীগঞ্জ-কচুয়া বাইপাস বিশ্বরোড দিয়ে নারায়নগঞ্জ হয়ে ঢাকায় পৌঁছে। সে সময় হাজীগঞ্জের নামকরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ করার পর এ সড়কে আর তেমন কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

তবে মাঝে মধ্যে সড়কটির ঢেউ ঢেউ সৃষ্টি ও পিচ উঠে যাওয়া অংশে সড়ক বিভাগের লোকজন নাম মাত্র ঢিলে ঢালা কাজ করতে দেখা গেছে।

বর্তমানে হাজীগঞ্জ-কচুয়া এ সড়কটি দিয়ে একটি বাস কিংবা বড় ট্রাক চলাচলত দূরের কথা একটি মোটর সাইকেল চলাচল করতে চালক হিমসিম খেতে হচ্ছে। তার পরেও সড়কটির বড় বড় গর্তের পাশ দিয়ে ছোট খাট সিএনজি ইচ্ছার বাহিরে চলাচল করতে দেখা য়ায়।

বিশেষ করে হাজীগঞ্জ বিশ্ব রোডের মাথায় এক কিলোমিটার রাস্তার কোন নমুনা খুজে পাওয়া যাবে না। বৃষ্টি হলে বড় বড় গর্ত যেন পুকুর সৃষ্টি হয়েছে। ওই স্থানের বাসিন্দরা পৌর এলাকার হয়েও চলাচল করতে হচ্ছে হাঁটু পানির ওপর দিয়ে।

হাজীগঞ্জ পৌর মেয়র আ স ম মাহবুব-উল আলম লিপন গত কয়েক মাস পূর্বে পৌরসভার পক্ষ থেকে ইট বালি মিশ্রণ করে কিছু অংশ মেরামত করলেও টানা বৃষ্টিতে এর নমুনা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।

সড়কটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হিসেবে দু’পাশের ব্যবসায়ীরা জানায়, প্রতিনিয়ত ইটভাটার ট্রাক ও মালবাহী বালুর ট্রাক চলাচল করায় রাস্তার এমন করুণ অবস্থা হয়েছে।

বিকল্প পথ না থাকায় এ ভরা বর্ষায় হাজীগঞ্জ ও কচুয়া উপজেলার লোকদের যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন ।

এখানকার যাত্রীসাধারণ ও ভুক্তভোগীদের দাবি যেন অচিরেই সরকারের দায়িত্বরত মন্ত্রী,এমপি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ সড়কটি সংস্কারে উদ্যোগ নেয়।

প্রতিবেদক- জহিরুল ইসলাম জয়
: আপডেট, বাংলাদেশ ৯: ৫০ পিএম, ৪ আগস্ট ২০১৭, শুক্রবার
ডিএইচ

Share