চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া বা ঝরে পড়ার ঝুঁকিতে থাকা শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এসব শিক্ষার্থীকে ‘বোঝা’ হিসেবে না দেখে কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হবে।
রোববার (৩০ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
মাহদী আমিন বলেন, ‘সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের নিয়ে আগে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু বর্তমান সরকার তাদের জন্য বিশেষ পলিসি তৈরি করছে। টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) ও স্বল্পমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে।’
শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই পাঠ্যক্রমে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও খেলাধুলাবিষয়ক নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে। ২০২৮ সাল থেকে পুরো কারিকুলামে বড় ধরনের সংস্কার আনা হবে। নতুন বিষয়ের মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ‘স্পোর্টস অ্যান্ড কালচার’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ও‘টেকনিক্যাল এডুকেশন’অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
ফলাফল মূল্যায়ন নিয়ে তিনি বলেন,‘পরিসংখ্যান ভালো দেখাতে অতীতে কৃত্রিমভাবে জিপিএ-৫-এর যে সংস্কৃতি ছিল, তা বন্ধ করা হয়েছে। এবার কোনো গ্রেস নম্বর ছাড়াই শতভাগ স্বচ্ছতায় জেনুইন ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।’
বেকারত্ব দূর করতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ (কর্মসংস্থান বিনিময় কেন্দ্র) চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এছাড়া শিক্ষকদের ডিজিটাল ক্ষমতায়নে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ প্রোগ্রামের আওতায় পর্যায়ক্রমে সবার হাতে ডিজিটাল ট্যাবলেট পৌঁছে দেওয়া হবে।
৩০ আগস্ট ২০২৬
এ জি
Chandpur Times | চাঁদপুর টাইমস Top Newspaper in Chandpur