Home / জাতীয় / রাজনীতি / বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হাছান মাহমুদ
অনলাইন পত্রিকা
ফাইল ছবি

বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হাছান মাহমুদ

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘শুনেছি বিএনপি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে। আমি এই সিদ্ধান্তকে অভিনন্দন জানাই। আশা করি বিএনপি এভাবেই বোমারু রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে আসবে।’

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদ আয়োজিত ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার-পাকিস্তান ও জামায়াতের অনৈতিক বক্তব্য’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় শুক্রবার তিনি এ কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা প্রতিযোগিতা ও গঠনমূলক রাজনীতি চাই। বিএনপি তাদের অগ্নি-সন্ত্রাস রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে পৌর নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুস্থ ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসবে এমনটাই সবার প্রত্যাশা।’

তিনি বলেন, ‘আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে দাঁড়াবে আওয়ামী লীগ। আর এই নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিদ্বন্দিতা করতে হবে। বর্তমানে দেশে শতকরা ৭০ ভাগ পৌর মেয়র আমাদের। তবে এই সংখ্যা এবার ৮০ ভাগে উন্নীত করতে হবে। এ জন্য সব নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “পত্রিকায় দেখলাম ব্লগার-প্রকাশকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টে প্রস্তাবনা আনা হয়েছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু তারা তাদের প্রস্তাবনার অন্য অংশে বলেছে, ‘বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রয়োজন।’ তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি, বাংলাদেশে গণমাধ্যম ইউরোপের অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশী স্বাধীনতা ভোগ করে আসছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের বন্ধ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুলে দেওয়ার কথা বললেও ফ্রান্সের পার্লামেন্টে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধের যে প্রস্তাব আনা হয়েছে, সে কথা বলেনি।”

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের রায় কার্যকরের পরে পাকিস্তান সরকার ও দেশটির বিভিন্ন দলের বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি প্রদান প্রকৃতপক্ষে প্রমাণ করেছে যে, মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘৃণ্য ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে যে বিচারকার্য ও রায় কার্যকর হয়েছে তা সঠিক।’

খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘বগুড়া শিয়া মসজিদে হামলা, বিদেশী নাগরিকদের হত্যার ঘটনা, তাজিয়া মিছিলে হামলা, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একটির সঙ্গে আরেকটির যোগসূত্র আছে।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে নিয়ে চক্রান্ত করছে একটি মহল। যারা এ দেশের স্বাধীনতা মেনে নিতে পারেনি তারাই এ দেশকে জঙ্গি রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সরকার জঙ্গি দমনে, সন্ত্রাসী দমনে জিরো টলারেন্স দেখাবে।’

বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

নিউজ ডেস্ক || আপডেট: ০৬:৫৫ পিএম,  ২৭ নভেম্বর ২০১৫,  শুক্রবার

এমআরআর