চাঁদপুর

চাঁদপুরে পৃথক তিন আসনে ভোটের লড়াইয়ে থাকতে চান তিন নারী

চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর)

চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর)আসনে একাদশ সংসদ নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রত্যাশায় রয়েছেন, ডা. দীপু মনি। এর আগে দুই দফায় তিনি এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। এ ছাড়া নবম সংসদ নির্বাচনের পর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন।

আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয়ন নিয়ে আবারো সংসদ সদস্য হতে চান ডা. দীপু মণি। সেই লক্ষ্যে সতীর্থদের নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। এই নির্বাচনকে ঘিরে গণসংযোগ, নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা সমাবেশ এবং নারীদের নিয়ে উঠোন বৈঠকও করেছেন তিনি।

এলাকার উন্নয়নেও বিশেষ ভূমিকা পালনের কারণে আওয়ামী লীগের বাইরেও ব্যক্তি ইমেজ অর্জন করতে পেরেছেন ডা. দীপু মণি। ফলে এবারের নির্বাচনে মনোনয়ন নিশ্চিত হলে জয়ের ব্যপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি। এই প্রসঙ্গে ডা. দীপু মণি বলেন, চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের জন্য অনেক করেছি। এই আসনের সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য যা যা করার দরকার সবকিছু করেছি। যে কারণে ভোটের মাধ্যমে আমি এর প্রতিদান পাবো। এমনটা প্রত্যাশা করছি।

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন ডা. বদরুন নাহার ভূইয়া। এই নির্বাচনী এলাকায় তিনি নতুন মুখ হলেও কেন্দ্র এবং দলীয় কর্মকাণ্ডে তাঁর সরব উপস্থিতি রয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিষয়ক উপকমিটির সদস্য তিনি।

ইতোমধ্যে দরিদ্র ও অসহায় নারী পুরুষ ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ফরিদগঞ্জে বেশকিছু মেডিক্যাল ক্যাম্প করেছেন, ডা. বদরুন নাহার ভূঁইয়া। বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করে ভোটের মাঠে অনেকটা আলোচনায় উঠে এসছেন তিনি। এ ছাড়া নারীদের নিয়ে উঠোন বৈঠক করেও বেশ সাড়া ফেলেছেন।

নিজে মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও ডা. বদরুন নহার ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ফরিদগঞ্জ আসনে যাকেই নৌকা প্রতীক দেবেন, তার জন্য নিবেদিত প্রাণ নিয়ে ভোটের মাঠে নিজেকে সমর্পন করবো।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি)

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন চান অ্যাডভোকেট নুরজাহান বেগম মুক্তা। বর্তমনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তিনি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুলের প্রসিকিউটরও তিনি।

অ্যাডভোকেট নুজাহান বেগম মুক্তার বাবা প্রয়াত অ্যাডভোকেট আবু জাফর মাইনউদ্দিন। তিনিও প্রথম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য সদস্য ছিলেন। বাবার ইমেজ কাজে লাগিয়ে এবং নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে ইতোমধ্যে ভোটের মাঠে আলোচনায় ফিরে আসেন অ্যাডভোকেট নুরজাহান বেগম মুক্তা। এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন তিনি। দলীয় সভা সমাবেশ, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান এবং নারীদের নিয়ে উঠোন বৈঠক করেছেন মুক্তা।

আসন্ন জাতীয় সংসদ সির্বাচনে নিজের প্রার্থীতা প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট নুরজাহান বেগম মুক্তা বলেন, দল যাকেই যোগ্য মনে করবে তাকে নিয়ে ভোটের মাঠে অবস্থান করবো। তাছাড়া তিনি নিজেও এই নির্বাচনে একজন মনোনয়ন প্রত্যাশী।

প্রসঙ্গত, চাঁদপুরের পৃথক এই তিন সংসদীয় আসনে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা প্রত্যাশা করে তিনজন সম্ভাব্য নারী প্রার্থী দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

করেসপন্ডেট

Share