কচুয়া

কচুয়ায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা : আহত ১০

চাঁদপুর কচুয়া উপজেলার রহিমানগর বাজার ও নাউলা গ্রামে বুধবার রাতে পৃথকভাবে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেছে একদল সন্ত্রাসী । এতে ছাত্রলীগের অন্তত ১০জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ কচুয়া বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা মনির প্রধান (৪২) ও মিয়ার বাজার এলাকার ফারুক হোসেন (৩০) কে আটক করেছে।

হামলায় আহতরা হলো ছাত্রলীগ নেতা ইমরান হোসেন টিটু (২৫), রাতুল চৌধুরী (২৭), রাব্বি (২২), মাহবুব (২৭) ও নাজমুল হাসান (২২)। আহতদের কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ৩ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহতের মধ্যে ইমরান হোসেন টিটুর অবস্থা আশংঙ্খা জনক।

স্থানীয় প্রত্যেক্ষদর্শী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ‘ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে রহিমানগর বাজারের রহমানিয়া কপি হাউজের সামনে ছাত্রলীগ নেতা রাতুল চৌধুরীকে একদল সন্ত্রাসী মারধর করে। স্থানীয়রা তাকে তাৎক্ষনিক রহিমানগর বাজারস্থ বেসিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেয়। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে গোহট উত্তর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল হাসান সুমনের নেতৃত্বে নাউলা গ্রামের বেশক’জন ছাত্রলীগ নেতা সিএনজি যোগে রহিমানগর আসার পথে নাউলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্নস্থানে ওই সন্ত্রাসীরা তাদের উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রহিমানগর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আহতরা ইউনিয়ন ও রহিমানগর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইঞ্জি. ইব্রাহীম খলিল বাদল দাবী করেন। এ ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা ও হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানান।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মো. সোহেল রানা বলেন, বুধবার রাত ১ টার দিকে আহতের হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। এর মধ্যে টিটু নামের এক জন সহ তিন জনকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে আহতদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজ খবর নিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি।

এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ওসি মো. আতাউর রহমান ভূইয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘রহিমানগর এলাকায় ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর হামলার খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

অপর দিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পৌর আওয়ামীলীগ নেতা মঞ্জুর আহমেদ সুজনের মনোয়ারা হাসপাতালের সাটার ভাংচুর করেছে বলে তার পরিবার দাবী করছে।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু
১৮ অক্টোবর,২০১৮

Share