বাড়ির ব্যবহৃত পুকুরপাড়ে টয়লেট নির্মাণ, জনস্বাস্থ্যের ব্যাঘাত সৃষ্টি

পরিবেশের বিষয় উপেক্ষা করে বাড়ির বসবাসরত ব্যবহৃত পুকুর পাড়ে টয়লেট নির্মাণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। নিয়ম বহিভূত এই টয়লেট ব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্যে ব্যাঘাত সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদগঞ্জের ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মনতলা গনার বাড়ির ব্যবহৃত পুকুর পাড়ে নতুন একটি টয়লেট নির্মাণের কাজ চলছে। টয়লেটের পাশে মনতলা এবতেদায়ী নূরানী মাদ্রাসা ও মসজিদ। তাছাড়া বাড়ির প্রায় ১৫/২০ টি পরিবার নিত্যদিন পুকুরের পানিতে গোসল, রান্নাবান্নাসহ নানান কাজে ব্যবহার করে আসছে।

২০২১ সালে সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঘনার বাড়ীর টয়লেটের নামে ২ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা বরাদ্ধ আসে। উক্ত বরাদ্ধ অনুযায়ী স্থানীয় ইউপি সদস্য টয়লেটের নির্মাণ কাজ শুরু করে গনার বাড়ির ব্যবহৃত পুকুর পাড়ে।

গনার বাড়ির বতু মিয়া, খোকন, কাউছার ও ছায়েদ মিজি বলেন,আমাদের বাড়ির একমাত্র পুকুরে প্রতিদিন গোসল, রান্নাবান্না কাজে পানি ব্যবহার করে আসছি। কিন্তু বাড়ীর একজন লোক তার এবতেদায়ী নূরানি মাদ্রাসা ও মনজিদের আগত লোকজনের ব্যবহারের স্বার্থে বাড়ীর পুকুর পাড়ে টয়লেট নির্মানের চেষ্টা চালায়। যা আমরা আপত্তি জানানোর পরেও কাজ বন্ধ করতে পারিনি।

মনতলা নূরানী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সালেহ আহমেদ বলেন, বরাদ্ধ আসে বাড়ির নামে, তাই যায়গার অভাবে পুকুর পাড়ে টয়লেট নির্মানের সিদ্বান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে টয়লেটের টাংকি একটু উপরে উঠালে পুকুরের পানিতে ময়লা পড়ার আশংকা থাকবে না। বিষয়টি আমি মেম্বারকে বলার পরও টাংকির স্লাভ উচু করেনি।

সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাও. শারাফত উল্ল্যাহ বলেন, আমাদের কাছে মসজিদ মাদ্রাসার নামে টয়লেট বরাদ্ধ না থাকায় গনার বাড়ীর নামে দিয়েছি। স্থানীয় মেম্বার বাড়ীর লোকজনের সাথে পরামর্শক্রমে টয়লেট নির্মানের কাজ ধরেছে। আমার কাছে লিখিত অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ নিবো।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিউলী হরি বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যাঘাত হবে এমন কাজ হলে অবশ্যই অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,২৮ জুন ২০২১

Share