Home / চাঁদপুর / সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান সুমনের বাসায় চুরির চেষ্টা
churir-chesta

সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান সুমনের বাসায় চুরির চেষ্টা

দৈনিক ইল্শেপাড়ের প্রধান সম্পাদক এবং চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সুমনের বাসায় চুরির চেষ্টা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় শহরের মুন্সেফপাড়াস্থ চাঁদপুরের বিশিষ্ট শিশু চিকিৎসক ডা. জমির আহমেদের বাসার নিচ তালায়। সাংবাদিক সুমন দীর্ঘদিন ওই বাসায় ভাড়া রয়েছেন।

জানা যায়, সাংবাদিক সুমন বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় পেশাগত কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গেলে চোরের দল বাসার পেছনে দিকের জানালার গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা স্টিলের আলমারি ভেঙে মূল্যবান জিনিসপত্র নেয়ার চেষ্টা করে। সাড়ে ৬টার দিকে সাংবাদিক সুমন বাসায় এসে দরজার তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করলে দেখতে পান দরজা খুলছে না, ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করা।

তিনি দ্রুত বাসা লাগোয়া সানন্দা প্লাজার ব্যবসায়ীদের বিষয়টি অবগত করলে ব্যবসায়ীরাসহ স্থানীয়রা দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পায়। পরে সাংবাদিক সুমন চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিলকে বিষয়টি জানান। তিনি এসআই মমিনুলকে ঘটনাস্থলে পাঠালে তিনি এসে বাসার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।

এসআই মমিনুলসহ সাংবাদিক সুমন বাসায় প্রবেশ করে দেখতে পান দক্ষিন দিকের জানালার গ্রিল ভেঙে চোরের দল ভেতরে প্রবেশ করে। তবে তারা মালামাল চুরির জন্য প্রস্তুতি নিলেও সামনের দরজার তালা খোলার শব্দ শুনে দ্রুত কেটে পরে। ফলে অল্পের জন্য বাসার মূল্যবান জিনিসপত্র ও পত্রিকা অফিসের ল্যাপটপটি রক্ষা পায়।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ডা. জমির আহমেদের বাসার দেয়ালে রঙের কাজের শ্রমিকরা কাজ করাকালীন সময়ে দেখতে পায় তাদের রঙের পট (কৌটা) নিয়ে এমরান নামের এক চোর পালিয়ে যাচ্ছে। এসময় শ্রমিকরা দ্রুত তাকে রঙসহ হাতেনাতে আটক করে। বিষয়টি মডেল থানাকে জানালে এসআই সাখওয়াত তাকে থানা হেফাজতে নিয়ে যান।

দিন-দুপুরে শহরের ব্যস্ততম এলাকায় চোরের উপদ্রবে স্থানীয়রা বিষ্ময় প্রকাশ করছেন। তারা দাবি করছেন শহরের অভ্যন্তরে ছিচ্কে চোরের দল বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে নিয়মিত চুরি সংগঠিত করলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তেমন অভিযান পরিচালনা না করায় প্রতিনিয়ত এমন ঘটনা ঘটেই চলছে। তারা চিহ্নিত চোরের দল ও মাদকসেবীদের দ্রুত আটক করার দাবি করেন।

সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান সুমন জানান, তার স্ত্রী শহরতলীর একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। বিদ্যালয়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের পূজার ছুটি থাকায় তিনি বাচ্চাদের নিয়ে বেড়াতে যান। ফলে তিনি একা বাসায় অবস্থান করছিলেন। বুধবার বিকেলে পত্রিকা সংশ্লিষ্ট কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। স্বল্প সময়ে কাজ শেষ হওয়ায় তিনি বাসায় ফিরে আসেন এবং বাসার লক খুলে ভেতরে প্রবেশ করতে না পারায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিষয়টি জানান।

পরে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা আসেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

করেসপন্ডেন্ট,
১৮ অক্টোবর, ২০১৮

Leave a Reply