কচুয়া বিতারা ইউনিয়নকে বিভক্তকরণে গণশুনানি

চাঁদপুরের কচুয়ার ৩নং বিতারা ইউনিয়নকে দুটি পৃথক ইউনিয়নে বিভক্ত করার লক্ষ্যে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহ¯পতিবার (৮অক্টোবর) বেলা ১১টায় উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তেগুরিয়া ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। গণশুনানিতে প্রস্তাবিত ইউনিয়ন বিভক্তকরণ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শুনানি শেষে ৩নং বিতারা ইউনিয়নকে দুটি পৃথক ইউনিয়নে বিভক্ত করার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রস্তাবিত বিভক্তকরণ অনুযায়ী, ৩নং পশ্চিম বিতারা ইউনিয়নে চাংপুর, বাতাপুকুরিয়া ও সাজিরপাড় গ্রামসহ ১৯টি গ্রাম নিয়ে পশ্চিম অংশ এবং ১৩নং পূর্ব বিতারা ইউনিয়নে ১০টি গ্রাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে।

গণশুনানিতে প্রস্তাবিত ইউনিয়ন ভাগকরণের সদস্য সচিব ও কচুয়া উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. আবু ইসহাক, উপজেলা নির্বাচন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন, বিতারা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক মো. কামরুজ্জামান, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন, তেগুরিয়া ওবায়েদুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের পাটোয়ারী, সহকারী প্রধান শিক্ষক মামুনু রশিদ, সাচার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বিতারা পশ্চিম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান টিটু, বিতারা পূর্ব ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. আনিসুর রহমান, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি মিজান মোল্লা, উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক স¤পাদক শাহিন পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইউসুফ খান, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, ইউপি সদস্য হুমায়ুন কবির সুজন, আলাউদ্দিন বাবুল, বিএনপি নেতা সফিকুল ইসলাম, বিতারা ইউনিয়ন পূর্ব যুবদলের সভাপতি কাউছার আহমেদ মুন্সি, ছাত্রদল নেতা জাহাঙ্গীর সরকারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গণশুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।

গণশুনানিতে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তাবিত দুই ইউনিয়নের সীমানা, গ্রামগুলোর অন্তর্ভুক্তি এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয়দের মতামত ও প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ইউনিয়ন বিভক্তকরণের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দুটি ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হলে প্রশাসনিক সেবা মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছাবে এবং ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সেবা গ্রহণে এলাকাবাসীর ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কার্যক্রম ও নাগরিক সেবা আরও গতিশীল হবে বলে তারা মনে করছেন।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
৮ অক্টোবর ২০২৬