কচুয়ায় টাকা-স্বর্ণালংকার নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে উধাও দুসন্তানের জননী

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার পাথৈর গ্রামে আছমা আক্তার নামের এক গৃহবধুর বিরুদ্ধে তার স্বামীর নগদ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ৭ মে আছমা আক্তারের তার স্বামীর বাড়িতে ঘরে তালা দিয়ে আত্মহত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে স্বামী জয়নাল আবেদীন তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগের ৪দিন পর দুই সন্তানের জননী আছমা আক্তার তার স্বামীর বাড়ি থেকে নগদ টাকা ও দেড় বড়ি ওজনের স্বর্নের চেইন ও কানের দুল নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়।

জানা গেছে, প্রায় ১২ বছর আগে দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও গ্রামের মৃত. বোরহান উদ্দিনের মেয়ে আছমা আক্তারের সাথে কচুয়া উপজেলার পাথৈর গ্রামের আবুল হাসেম এর পুত্র জয়নাল আবেদীনের মুসলিম শরীয়া মোতাবেক বিবাহ হয়। বিয়ের পর তাদের গৃহে দুটি সন্তানের জন্ম হয়।

ভুক্তভোগী জয়নাল আবেদিন বলেন, আমি তিতাস উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসায় স্বল্প বেতনে চাকরি করি। বাড়িতে কম আসার সুবাদে আমার স্ত্রী দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও গ্রামের জনৈক যুবকের সাথে মোবাইলে কথাবার্তার মার্ধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে।

বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে জিঙ্গাসাবাদ করলে প্রথমে সে অস্বিকার করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি দোষ স্বীকার করে। এতকিছুর পরেও আমি আমার সন্তাদের দিকে তাকিয়ে তার সকল অপরাধ মেনে নিয়ে সংসার করার সিদ্ধান্ত নেই। বর্তমানে আমার স্ত্রী আছমা আক্তার সোমবার ১১মে ভোর রাত ৪টার দিকে আমার গৃহে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ও বকেটির চেইন ও দেড় ভরি ওজনের কানের দুল নিয়ে পালিয়ে যায়। ধারনা করা হচ্ছে আমার স্ত্রী তার ভাই সম্পর্কে দাউদকান্দির মালিগাও এলাকার ইয়াসিনের সাথে পালিয়ে গেছে। আমি আমার টাকা, স্বর্ণালংকার ও দুই সন্তান উদ্ধারে প্রশাসন সহ সকলের সহযোগীতা কামনা করছি। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে বিষয়টি জানতে অভিযোক্ত আছমা বেগমের মুঠোফোনে বারবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।

=>জিসান আহমেদ নান্নু / ১৩ মে ২০২৬