চাঁদপুরে এসএসসি ফলাফলে শীর্ষে ‘মাতৃপীঠ’- দ্বিতীয় ‘আল-আমিন’

চাঁদপুর জেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আল-আমিন একাডেমি এবং তৃতীয় অবস্থানে হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

সোমবার দুপুরে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলো থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে। চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৫ হাজার ৩৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ১৪৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৫৮ জন। উপজেলায় মোট পাসের হার ৬২.৫০ শতাংশ।

চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এ ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

চাঁদপুর শহরের সুনামধন্য তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পাসের হারে এবং মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছে।
চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর ২৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯১ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৯৯.১৪ শতাংশ।
মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৩৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১৭ জন। পাসের হার ৯৭.১০ শতাংশ।
আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কৃতকার্য হয়েছে ৬৯৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৫ জন। পাসের হার ৮৯.৬২ শতাংশ।
পুরানবাজার এমএইচ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৭৬.০২ শতাংশ।
গনি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কৃতকার্য হয়েছে ১০৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৭৯.৭০ শতাংশ।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ৭০ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। বিদ্যালয়টির পাসের হার ১০০ শতাংশ। এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন।

চাঁদপুর পৌর শহীদ জাভেদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৪.৭১ শতাংশ।
আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমি থেকে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৫২ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৯১.২৩ শতাংশ।

আমিরাবাদ গোলাম কিবরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ১৬.৮৪ শতাংশ।

বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ২৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৩৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৪৬.৫০ শতাংশ।

বাগাদী গনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৩৪.৭৫ শতাংশ।

বহরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৫০ শতাংশ।

বালিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৯০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৪.২৯ শতাংশ।

চাঁদপুর নুরিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২১ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৭.৭৩ শতাংশ।

চান্দ্রাবাজার ইয়াকুব আলী স্মারক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১০৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৪৯.৭৬ শতাংশ।
ছোটসুন্দর আমজাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৫৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৮.১৮ শতাংশ।

ডাসাদী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৪ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৩১.৮২ শতাংশ।

ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪২.৯৬ শতাংশ।

হাফেজ মাহমুদা পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৯ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬২.২৩ শতাংশ।

হামানকদ্দি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১২ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪১.৩৮ শতাংশ।

হামানকর্দি পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৩৪.৯২ শতাংশ।

হরিণা চালিতাতলী এডওয়ার্ড ইনস্টিটিউশন থেকে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৯ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৩২.২০ শতাংশ।

জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৩ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ২৮.২৬ শতাংশ।
জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪২.৮৬ শতাংশ।

কামরাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২১ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫১.২২ শতাংশ।

খেরুদিয়া দেলোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ২৮.১৪ শতাংশ।

কৃষ্ণপুর জোহরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৯.০৬ শতাংশ।

লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৫৫.৪১ শতাংশ।

লেডি প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৬৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৭১.৩৭ শতাংশ।

লালপুর বালুধুম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২১ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ২৫ শতাংশ।

এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৫.৪৫ শতাংশ।

মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৪.৭৯ শতাংশ।

মৈশাদি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৮ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ১৭.০২ শতাংশ।
মনিহার জিএম ফজলুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৫ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৮৩.৩৩ শতাংশ।

নানুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৬ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৭.৩৭ শতাংশ।

উত্তর সাহাতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৬ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৩৮ শতাংশ।

পশ্চিম সকদী দারোগা বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬০.৪৭ শতাংশ।

পীর মহসিন উদ্দিন পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৮ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৬.৬৭ শতাংশ।

পুরানবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৫.২২ শতাংশ।

রঘুনাথপুর হাজী এ করিম খান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৭.৬৭ শতাংশ।

রাজরাজেশ্বর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৩ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬২ শতাংশ।

সফরমালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ১২.৯৯ শতাংশ।

সেনগাঁও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৮ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৭.০৬ শতাংশ।

সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৫ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৩৯.৭০ শতাংশ।

ষোলঘর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৯ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৬.০৪ শতাংশ।

তরপুরচণ্ডী জিএম ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৬৬.৩২ শতাংশ।
দ্বারকানাথ ডিএন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৮ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪০.৯১ শতাংশ।

গভর্নমেন্ট টেকনিক্যাল হাই স্কুল থেকে ১০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৮৬ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৮৪.৩১ শতাংশ।

ড্যাফোডিল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন। পাসের হার ৯৫.৫৬ শতাংশ।

বীর প্রতীক মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী একাডেমি থেকে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৩.০৬ শতাংশ।

কালেক্টরেট স্কুল থেকে ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৮৫ শতাংশ।

প্রতিবেদক: সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী,
১০ আগস্ট ২০২৬