আলগী দুর্গাপুর উত্তরে চেয়ারম্যান প্রার্থী ইব্রাহিম খলিল শামীম
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচিতি:
মুহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল শামীম ৩১ আগস্ট ১৯৮১ সালে চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার মহজমপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মিজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত ২নং আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মিয়াজী ও সেতারা বেগমের একমাত্র পুত্র সন্তান। তার দাদার নাম মরহুম আবদুল আউয়াল মিয়াজী। পারিবারিক জীবনে তার সহোদর ১ বোন, ৫ জন ফুফু ও এক চাচা রয়েছেন। তিনি আদিল বিন ইব্রাহিম, আনহা ইব্রাহিম আরিয়া ও আফিয়া ইব্রাহিম এর পিতা। জনসেবা, নেতৃত্ব ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ঐতিহ্যবাহী পারিবারিক পরিবেশ তাঁর জীবনবোধ ও সমাজের প্রতি দায়িত্বশীলতা গঠনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি পারিবারিক ঐতিহ্য ও শিকড়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।
শিক্ষাজীবন
মুহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল শামীমের শিক্ষাজীবনের সূচনা ঢাকায়। পরবর্তীতে তিনি আলগীবাজারস্থ ৭নং পূর্বচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়ন করেন। পরবর্তী সময়ে চাঁদপুরের আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করেন এবং প্রথম বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে তিনি ঢাকার তেজগাঁও কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
শিক্ষাজীবন থেকেই তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি সাহিত্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। শিশু-কিশোর নাট্য উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পিকনিক, হামদ-নাত এবং কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পাঠচক্র ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাঁর সামাজিক দায়বদ্ধতার বিকাশ ঘটে।
কর্মজীবন
কর্মজীবনের শুরুতে তিনি একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রশাসন বিভাগে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে চীনা এসএমএল কোম্পানিতে সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ, টিম লিডার ও সহকারী ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এসব পেশাগত অভিজ্ঞতার মাধ্যমে তিনি ব্যবস্থাপনা, বিপণন, দল পরিচালনা, যোগাযোগ ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে দক্ষতা অর্জন করেন। ২০২৩ সাল থেকে তিনি উদ্যোক্তা হিসেবে নিজস্ব ব্যবসায় আত্মনিয়োগ করেন। বর্তমানে তিনি নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার পাশাপাশি পেশাগত অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে কাজে লাগিয়ে চলেছেন।
সামাজিক কার্যক্রম
স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, হাইমচর প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা:
তাঁর সামাজিক জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হলো দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত হাইমচর উপজেলার শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও সহযোগিতার লক্ষে স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, হাইমচর, চাঁদপুর প্রতিষ্ঠা। ২০০৮ সালে তিনি আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. নেছার উদ্দিন, মো. মহসিন, মো. দেলোয়ার হোসেন রাজীব, মো. গিয়াস উদ্দিন, মো. ফিরোজসহ আট থেকে দশজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে যাত্রা শুরু করে তিনি পরবর্তী সময়েও সংগঠনটির নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য হলো হাইমচরের মেধাবী, অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি, শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান। প্রায় আঠারো বছরের কার্যক্রমে সংগঠনটির সার্বিক তত্ত্বাবধান, সহযোগিতা, অনুপ্রেরণা ও ক্যারিয়ার গাইডলাইনের মাধ্যমে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে বলে তাঁর দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। সংগঠনটি শিক্ষাবৃত্তি, ভর্তি-সহায়তা, কোচিং-সহায়তা, মেস ও হলের আবাসন-সহায়তা এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রয়োজন পূরণে কাজ করে আসছে। এর মাধ্যমে বহু শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ পেয়েছে।
শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সামাজিক সংগঠনে সম্পৃক্ততা
শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি শতদল এবং বাড্ডা কালচারাল স্পোর্টস অ্যান্ড সায়েন্স ক্লাবের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া অলাভজনক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আশ্রয়ের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং আশ্রয় পরিচালিত পিএইচডি স্কুলের অন্যতম পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। চাঁদপুর আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগেও তিনি যুক্ত ছিলেন এবং সংগঠনটির সক্রিয় সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন। তাঁর কর্মকাণ্ডের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও সামাজিক উন্নয়নকে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে বিবেচনা করা। তিনি মনে করেন, একটি উন্নত সমাজ গঠনে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, সাংস্কৃতিক চর্চা, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের বিকাশও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হাইমচর উপজেলা জনকল্যাণ সমিতি, ঢাকা প্রতিষ্ঠায় ভুমিকা:
২০১৪ সাল থেকে তিনি ঢাকাস্থ হাইমচর উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির কার্যক্রমে যুক্ত হন। ঢাকা মহানগরী, গাজীপুর, সাভার, নারায়ণগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জে বসবাসরত হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সংগঠনটি গড়ে ওঠে। তিনি এই সমিতির অন্যতম উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠনটির মাধ্যমে প্রতিবছর শীতবস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, বন্যা ও দুর্যোগে সহায়তা, অসচ্ছল পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা, চিকিৎসা-সহায়তা এবং শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মতো কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এছাড়া চাকরি ও প্রশাসনিক বিষয়ে সহযোগিতা, এলাকার রাস্তাঘাট ও ভবন নির্মাণে সহায়তা, স্কুল-মাদ্রাসার মাঠ ভরাট, ক্রীড়াসামগ্রী প্রদান এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক উদ্যোগেও সংগঠনটি ভূমিকা রাখছে। হাইমচর ইকোনমিক জোন স্থাপন এবং হাইমচর ও ঈশানবেলা এলাকায় নদী রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক দাবিতেও সমিতির মাধ্যমে তিনি সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করেছেন।
ড্রিমার্স ফাউন্ডেশন ও মানবিক কার্যক্রম
২০১৬ সাল থেকে তিনি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ড্রিমার্স ফাউন্ডেশনের অন্যতম পরিচালক হিসেবে কাজ করে আসছেন। সংগঠনটির মাধ্যমে মেডিকেল ক্যাম্প, বন্যা ও দুর্যোগে সহায়তা এবং অসহায় ও অসচ্ছল মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। ইন্দোনেশিয়ার মহামান্য রাষ্ট্রপতির ২০১৮ সালে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে সফরে তার স্ত্রী ও বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রিপরিষদের ১০ জন সদস্য পরিদর্শনকালে তাদেরকে ড্রিমার্স ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অভ্যর্থনা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেন । ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে শিক্ষা, খাদ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত মানবিক কার্যক্রমে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়মিত কাজ করেন। এসময় ইন্দোনেশিয়ার মুহাম্মাদিয়াহ, রুমা যাকাতসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।ইতালিভিত্তিক এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সান্ত’এজিদিওর সঙ্গেও তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
পিতার নামে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা ও নিজ এলাকায় জনসেবা
পিতা মরহুম স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান মিয়াজীর স্মৃতি ও জনসেবার আদর্শকে ধারণ করে তিনি তাঁর নামে একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। ফাউন্ডেশনটির মাধ্যমে এলাকার দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ক্ষুদ্র ব্যবসায় সহায়তা, সেলাই মেশিন বিতরণ, ছাগল প্রদান এবং ঘর নির্মাণের সামগ্রী সরবরাহের মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জীবিকা ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে নিজ উদ্যোগে কমলাপুর, ভিঙ্গুলিয়া, গাজীরবাজার ও বাংলাবাজার এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০টি পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ তাঁর সামাজিক দায়িত্ববোধের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও মেধাবীদের স্বীকৃতি
নিজ এলাকার শিক্ষার উন্নয়ন এবং তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে তিনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্যারিয়ার গাইডলাইন, শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদানের কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর উদ্যোগ ও সহযোগিতায় ২নং উত্তর আলগী ইউনিয়নের বাজাপ্তী রমণী মোহন উচ্চ বিদ্যালয়, দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, কে ভি এন উচ্চ বিদ্যালয়, কাটাখালী হামিদিয়া আলিম মাদ্রাসা, আলগীবাজার আলিম মাদ্রাসা, কমলাপুর দাখিল মাদ্রাসা এবং জামিলায়ে মহিলা দাখিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার-সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা ও কৃতী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক সময়ে সঠিক দিকনির্দেশনা, আর্থিক সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা পেলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরাও জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি কাটাখালী হামিদিয়া আলিম মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির এডহক কমিটি ও গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে প্রায় দুই বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। এ দায়িত্বের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে অবদান রাখার সুযোগ পেয়েছেন।
জীবনদর্শন ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা
মুহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল শামীমের জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করলে শিক্ষা, মানবিকতা, সামাজিক ঐক্য এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রবণতা বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। পেশাগত জীবনে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা উন্নয়ন, অসচ্ছল মানুষের সহায়তা, দুর্যোগকালীন মানবিক কার্যক্রম এবং স্থানীয় উন্নয়নে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর সামাজিক কর্মকাণ্ডের মূল অনুপ্রেরণা হলো মানুষের জন্য কাজ করা, তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করা এবং নিজ এলাকার মানুষের মধ্যে সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করা। তিনি এমন একটি সমাজ গঠনের প্রত্যাশা করেন, যেখানে শিক্ষার সুযোগ হবে আরও বিস্তৃত, মেধার যথাযথ মূল্যায়ন হবে, অসহায় মানুষ প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা পাবে এবং তরুণ প্রজন্ম দক্ষতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।
প্রতিবেদক: মোঃ আলমগীর হোসেন (আসিফ)
১৮ অক্টোবর ২০২৬