অনলাইনে অপপ্রচারে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। সরকার বা সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং নেতিবাচক পোস্টদাতা শিক্ষকদের শনাক্ত করে দ্রুত বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়।
অধিদপ্তরের নির্দেশনায় জানানো হয়েছে যে, দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত কতিপয় শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকার, সরকারি দপ্তর এবং সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার ও আপত্তিকর পোস্ট করছেন কিংবা শেয়ার করছেন। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে মনে করছে অধিদপ্তর।
নির্দেশনায় শিক্ষকদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক প্রণীত ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ সকল সরকারি কর্মচারীর জন্য পালন করা বাধ্যতামূলক। এ নির্দেশিকা অমান্য করা সরকারি চাকরি বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি ‘সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ পর্যায়ভুক্ত অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে যে: যেসব শিক্ষক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছেন, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করতে হবে। চিহ্নিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে জরুরিভিত্তিতে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিয়মিত অবহিত করতে হবে।
সরকারি চাকুরিজীবী হিসেবে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনলাইনে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতেই অধিদপ্তর এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
১২ মে ২০২৬
এ জি