Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Home / উপজেলা সংবাদ / হাজীগঞ্জ / হাজীগঞ্জে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীর হাত কেটে দিল বখাটে

হাজীগঞ্জে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ছাত্রীর হাত কেটে দিল বখাটে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বখাটে সাইফুল ইসলাম (২৫) নামের এক যুবক প্রেম নিবেদন প্রত্যাক্ষান করায় সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যায়রত এক স্কুল ছাত্রীর হাত কেটে দিয়েছে। তারপরও ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে বলে জানা যায়।

গত শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ব্রাহ্মনছোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শনিবার মেয়েটির গণিত ও আজ রোববার ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেয়েটি স্থানীয় রামচন্দ্রপুর ভূইয়া একাডেমির সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বিচারের আশ্বাসে মেয়েটির পরিবার প্রশাসনের কাছে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দাখিল করেননি।

মেয়েটির পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম রামচন্দ্রপুর গ্রামের মাইজের বাড়ির আ. লতিফের ছেলে। সাইফুল ও ছাত্রীটি বাড়ির সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই বোন। বাড়িতে ও বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে সাইফুল মেয়েটিকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছে।

শনিবার সকালে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে সাইফুল ব্রাহ্মনছোয়া গ্রামের পুকুর পাড়ে মেয়েটির গতিরোধ করে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় মেয়েটি কিছু বুঝে উঠার আগেই সাইফুল পকেট থেকে নতুন ব্লেড বের করে তার বাম হাতে কয়েকটি পোঁচ দেয়।

এতে মেয়েটির চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে রামচন্দ্রপুর বাজারে পল্লী চিকিৎসকের কাছে হাত বেন্ডেজ করায়। সেখানে মেয়েটির হাতে ৬টি সেলাই দেওয়া হয়। বখাটে সাইফুল অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায়। সাইফুর ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় কাঠের নকশী তৈরির কাজ করে।

খবর পেয়ে মেয়ের বাবা ও পরিবারের লোকজন ঘটনাটি বিদ্যালয় এসে প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের জানায়। পরে মেয়েটি সুস্থ্যতা বোধ করার পরেও বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নেয়।

মেয়েটির বাবা বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এজন্য আমরা কোথায়ও লিখিত অভিযোগ করিনি। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ঘটনাটি জানানো হয়েছে। স্থানীয়ভাবে প্রতিকার না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মেয়েটির বাবা ঘটনাটি আমাকে জানিয়েছেন। তারা পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান করবেন। ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তাছাড়া ঘটনাটি বিদ্যালয়ের বাইরে ঘটায় আমরা সেভাবে গুরুত্ব দেয়নি।’

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য সাইফুল ও তার পরিবারের সদ্যসের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেদক: জহিরুল ইসলাম জয়
০২ ডিসেম্বর,২০১৮

Leave a Reply