Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
Home / উপজেলা সংবাদ / ফরিদগঞ্জ / ফরিদগঞ্জে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের দ্বন্দ্বের জেরে অপ্রীতিকর ঘটনা
faridganj..

ফরিদগঞ্জে চেয়ারম্যান ও মেম্বারের দ্বন্দ্বের জেরে অপ্রীতিকর ঘটনা

চাঁদপুর ফরিদগঞ্জে এক চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার ১৪ নং ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদে উক্ত ঘটনাটি ঘটে।

মঙ্গলবার (০৮ জানুয়ারি) দু’পক্ষের মধ্যে সমঝেতা বৈঠক হলেও তা অমিমাংসিত থাকায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংর্ঘষের আশংঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সরকারিভাবে প্রাপ্ত দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে কম্বল ও ভিজিডি কার্ড বিতরণের জন্য সোমবার সকাল ১০টায় ইউনিয়ন পরিষদের সভার আয়োজন করা হয়। কিন্তু যথাসময়ে ইউপি সদস্য এস এম টেলু উপস্থিত না হওয়ায় দুপুর ১২টায় সভাটি শুরু হয়।

সভায় চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ পন্ডিত সহ অধিকাংশ ইউপি সদস্য উপস্থিত থেকে কম্বল ও ভিজিডি কার্ড বিতরণের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্ত সভা শেষ হওয়ার পর দুপুর ২টার সময় ইউপি সদস্য এস এম টেলু পরিষদে এসে জানতে পারে সভা শেষ হয়ে গেছে। তার অনুপস্থিতে সভা শেষ করার কারণ জানতে গিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতান্ডা শুরু হয়।

এক পর্যায়ে এস এম টেলু উত্তেজিত হয়ে পরিষদের চেয়ার ছুড়ে ফেলে এবং চেয়ারম্যান,সচিব ও প্যানেল চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সোহেলকে গালমন্দ করে। এ খবর শুনে স্থানিয়রা এগিয়ে এসে উতপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বয়োবৃদ্ধ আব্দুল লতিফ পন্ডিত বলেন, ‘ইউপি সদস্য এস এম টেলু নিজ হাতে চেয়ার নিয়ে আমাকে মারতে তেড়ে আসে এবং চেয়ার ছুড়ে ফেলে গালমন্দ করে।’

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই ইউপি দীর্ঘ মাস ধরে ইউনিয়ন পরিষদের সভায় নিয়মিত অনুপস্থিত থাকতেন। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্টদের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবো।’

তবে ইউপি সদস্য এস এম টেলু এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ চেয়ারম্যান লতিফ পন্ডিতের অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সোহেল নিজের স্বার্থে প্রাপ্ত সরকারি বরাদ্ধ তছনছ করেছে। এছাড়া সভার নোটিশ দেওয়ার পরও ইউপি সদস্য সোহেল মেম্বারের জন্য ২/৩ দিন অপেক্ষা করে তারপর সভা করা হতো। অথচ আমার জন্যে ২ ঘন্টা অপেক্ষা না করে উক্ত সভা শেষ করায় মূলত আমি সোহেল মেম্বারের উপর ক্ষিপ্ত হয়েছি। আর চেয়ারম্যানকে গালমন্দ করার প্রশ্নই উঠে না।’

স্টাফ করেসপন্ডেট
০৮ জানুয়ারি,২০১৯

শেয়ার করুন

Leave a Reply