এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনে ১৪ নির্দেশনা

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তির খসড়া প্রস্তুত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মঙ্গলবার এ খসড়াটি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে ১৪টি দিকনির্দেশনা যুক্ত করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, নির্ধারিত বদলি নীতিমালা মেনে আগ্রহীদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে (http://ngttdshe.teletalk.com.bd) প্রবেশ করে নিজ মোবাইলে আসা ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন জমা দিতে হবে। বদলির আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ২১ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত চালু থাকবে।

বিজ্ঞপ্তির শর্তাবলীতে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলীকৃত কোনো শিক্ষক টিএ/ডিএ ভাতা সুবিধা পাবেন না। বদলির আদেশ প্রকাশের ১০ দিনের ভেতর সম্পর্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের অবমুক্তি বা ছাড়পত্র নিশ্চিত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পর পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে উপস্থিত হয়ে যোগদান সম্পন্ন করতে হবে। এই অবমুক্তি থেকে নতুন স্থানে যোগদান পর্যন্ত পুরো সময়টি কর্মকালীন হিসাব হিসেবে বিবেচিত হবে।

একজন শিক্ষক নিজের পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বাধিক তিনটি প্রতিষ্ঠানে আবেদন জানানোর সুযোগ পাবেন। পরবর্তীতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের সাহায্যে প্রাপ্ত আবেদনসমূহ নীতিমালার আলোকে প্রক্রিয়াজাত করে চূড়ান্ত পদায়নের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

আবেদনকারী শিক্ষক প্রাথমিকভাবে নিজের স্থায়ী জেলায় বদলির জন্য আবেদন জানাবেন। নিজ জেলায় পদ ফাঁকা না থাকলে স্বীয় বিভাগের অন্যান্য যেকোনো জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে।

এছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা কর্মস্থলের (কেবল সরকারি, আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে) জেলায় বদলি হওয়ার আবেদন সুবিধা থাকবে। তবে বদলি সফটওয়্যারে ভুল বা অসত্য তথ্য প্রদান করা হলে শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন।

চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর অন্তত দুই বছর পূর্ণ হলে তবেই একজন শিক্ষক বদলির আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করবেন। একইভাবে নতুন কোনো প্রতিষ্ঠানে বদলি হয়ে যোগদানের পর পুনরায় বদলি হতে হলে সেখানেও কমপক্ষে দুই বছর দায়িত্ব পালন করতে হবে। খসড়ায় স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে, যেকোনো অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য সম্বলিত আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে এবং ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১৮ আগস্ট ২০২৬
এ জি