কচুয়া

শিক্ষক সংকটসহ নানা সমস্যায় খুঁড়িয়ে চলছে দৌলতপুর মাদ্রাসা

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসায় শ্রেণি কক্ষ, একাডেমিক ভবন, শিক্ষক সংকট, আর্সেনিক মুক্ত টিউবওয়েল, আসবাবপত্রসহ নানান সমস্যার বোঝা মাথায় নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে পাঠদান।

স্কুলের বারান্দায় ও খোলা আকাশের নিচে বাধ্য হয়ে চলছে পাঠদান।

১৯৯৬ সালে এলাকার শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার জিন্নত আলী মাদ্রাসা শিক্ষার বিস্তারের চাহিদা মেটাতে নিজ উদ্যোগে ও এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় এ প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করেন। এ মাদ্রাসায় বর্তমানে প্রায় ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে আসছে। বিশেষ করে মাদ্রাসা সংলগ্ন সামনের টিন সেট ভবনটি হেলে পড়ায় এবং তিন জন শিক্ষক শূণ্য থাকায় নানান সমস্যার মধ্য দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক লায়ন এমএম ফজলে কাদের মুকুল জানান, পরকালের নাজাতের ব্যবস্থার জন্য মাদ্রাসাটি এলাকাবাসীর সহযোগিতায় স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে এ মাদ্রাসায় একাডেমিক ভবন, রাস্তা পাকা করণ এখন সময়ের দাবি হয়ে পড়েছে।

মাদ্রাসার সুপার মোঃ আবু ইউসুফ চাঁদপুর টাইমসকে জানান, মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৪শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদানের জন্য ১১জন শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন। মাদ্রাসাটি শুরু থেকে এ যাবৎ পর্যন্ত দাখিল, জেডেসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় শতভাগ সহ সন্তোষজনক ফলাফল উপহার দিয়ে আসছে। বিশেষ করে ২০০৪ সাল থেকে দাখিল ও ২০১০ থেকে ২০১৭ইং পর্যন্ত জেডিসি ও ইবতেদায়ী পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা শতভাগসহ জিপিএ-৫ পেয়ে সনতোষজনক ফলাফল উপরহার দিয়ে আসছে। ফলাফলের ধারা বজার রাখতে শিক্ষকদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে কচুয়া উপজেলাধীন দৌলতপুর দাখিল মাদ্রাসাটি একাডেমীক ভবন নির্মান ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

জিসান আহমেদ নান্নু, কচুয়া
: : আপডেট, বাংলাদেশ ১১: ৪৩ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বুধবার
ডিএইচ

Share