মতলব দক্ষিণে এক প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস : অভিভাবকদের ক্ষোভ

মতলব দক্ষিণ উপজেলায় এবারের এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় শতভাগ পাস করেছে শুধুমাত্র একটি বিদ্যালয়। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬০জন।

এর মধ্যে এসএসসিতে ৫৬ জন, দাখিলে ১জন এবং ভোকেশনালে ৩ জন। গতবছর এসএসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিলো ৭৫.৪৯ এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিলো ৭২জন। দাখিলে পাশের হার ছিলো ৮১.৩৬ এবং জিপিএ ৫ পায় ৩জন। তবে ২০১৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাশে হার (৯৫.২২%) ও জিপিএ ৫(১শত ৭৩জন) ছিলো সর্বোচ্চ।

বিদ্যালয়গুলোর জিপিএ-৫ এর বিপর্যয়ে অভিভাবক মহল অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের একাধিক অভিভাবক জানায়, এ বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণিতে প্রায় ৪৯জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। আর এবারের এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯জন। বাকী ৪০জন মেধাবী শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেল না কেন?
চলতি বছরে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ৩ হাজার ১শত ২৬ পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে, পাস করেছে ২ হাজার ৬ শত ৬৫ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ২ হাজার ৩শত ৪৩জন, পাস করেছে ২ হাজার ৫২জন। পাশের হার ৮৭.৫৮। দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৬শত ৫৭জন, পাস করেছে ৪শত ৯৬জন। পাশের হার ৭৫.৪৯। ভোকেশনায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১শত ২৬জন, পাস করেছে ১শত ১৭জন। পাশের হার ৯২.৮৫।

উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে উপজেলার ২৫টি বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল থেকে জানা যায়,

হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮১ জন পরীক্ষা দিয়ে শতভাগ পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন।
মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ২শত ১৬জন। পাস করেছে ২শত ২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন, পাশের হার ৯৩.০৬%।

কাচিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৬১জন। পাস করেছে ৬৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন, পাশের হার ৯১.৮০%।

মুন্সীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ১শত ৫৬জন। পাস করেছে ১শত৪৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন, পাশের হার ৯১.৬৬%।

নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ২৪৬ জন। পাস করেছে ২৩৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন, পাশের হার ৯৩.১৫%।

বহরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৫১জন। পাস করেছে ৩৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন, পাশের হার ৭৪.৫০%।
বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৪২জন। পাস করেছে ৩৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ জন, পাশের হার ৯২.৬৮%।
বরদিয়া কাজী সুলতান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৯৪জন। পাস করেছে ৭৬ জন পাশের হার ৮০.৮৫%। আধারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ১০২জন। পাস করেছে ৯৪ জন, পাশের হার ৯২.১৬%।

নায়ের গাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ১০৬ জন। পাস করেছে ৮১ জন, পাশের হার ৭৬.৪১%। কাশিমপুর পুরন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৭০জন। পাস করেছে ৬৮ জন, পাশের হার ৯১.৪২%।

আদর্শ স্কুল মতলবথেকে পরীক্ষা দেয় ১২জন। পাস করেছে ৯ জন, পাশের হার ৭৫.০০%। আচলছিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৪৮জন। পাস করেছে ৩৮ জন, পাশের হার ৭৯.১৬%।

কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৯৮ জন। পাস করেছে ৭৩ জন, পাশের হার ৮২.০২%। লাকশিবপুর ফিরোজা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৮৮জন। পাস করেছে ৬৯ জন, পাশের হার ৭৮.৪০%।

আশ্বিনপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ১৩৬ জন। পাস করেছে ৯৩ জন, পাশের হার ৬৮.৩৮%। নওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ১১৩জন। পাস করেছে ৮২ জন, পাশের হার ৭২.৫৬%।

দগরপুর আঃ গনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৬১জন। পাস করেছে ৫৫ জন, পাশের হার ৯০.১৬%।

বোয়ালিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৬১জন। পাস করেছে ৫৭ জন, পাশের হার ৯৩.৪৪%।

ধলাইতলী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৪১জন। পাস করেছে ৩৮ জন, পাশের হার ৯২.৬৮%।

পয়ালী কে বি এম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৭২জন। পাস করেছে ৬৮ জন, পাশের হার ৯৪.৪৪%।

দিঘলদী এম এ ছাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ৬৪ জন। পাস করেছে ৫১ জন, পাশের হার ৭৯.৬৮%।

লামচরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষা দেয় ২৪ জন। পাস করেছে ২১ জন, হার ৮৭.০৫%।

অপরদিকে ভোকেশনাল পরীক্ষায় মতলবগঞ্জ জে বি পাইলট উচ্চ থেকে পরীক্ষা দেয় ৬৭জন। পাস করেছে ৬২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন, পাশের হার ৯২.৫৩%।

: আপডেট ১২:২৫ এএম, ১২ মে ২০১৬, বৃহস্পতিবার
ডিএইচ

Share