Home / চাঁদপুর / মতলবে খাঁদের গাঁওয়ে পুকুর সেচ নিয়ে হামলায় নারীসহ আহত ৪
পুকুর

মতলবে খাঁদের গাঁওয়ে পুকুর সেচ নিয়ে হামলায় নারীসহ আহত ৪

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে পুকুর সেচাকে কেন্দ্র করে হামলায় নারী-পুরুষসহ ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। ১ মার্চ শুক্রবার রাত ৯টায় ওই উপজেলার ৪ নং খাদেরগাঁও ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ গরে ভাঙ্গা গ্রামের প্রধানীয়া বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, প্রধানিয়া বাড়ীর মহসিন প্রধানীয়ার স্ত্রী খাদিজা বেগম (৫৫) মেয়ে আন্নি বেগম (২৫), আইয়ূব আলী প্রধানীয়ার ছেলে রাসেল প্রধানীয়া (৩৬) ও আরব আলী প্রধানীয়ার ছেলে আলমগীর প্রধানীয়া (৪৮)। আহতরা বর্তমানে চাঁদপুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহতরা এবং তাদের স্বজনরা জানান, শুক্রবার সকালে একই বাড়ির জলিল প্রধানীয়ার ছেলে নুর নবী প্রধানীয়া, মিজান প্রধানীয়া, মোজ্জামেল প্রধানীয়া ও তাজু প্রধানীয়ারা মিলে এক বছর পূর্বে আহতদের কৃষি জমির পাশের পুকুরে মিনি ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটার কারনে তাদের কৃষি জমি ভেঙ্গে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ওই সময় তাদেরকে এমন ক্ষতির কথা জানালে তারা বলেন, আর কখনো এমন ক্ষতি হবেনা এবং কৃষি জমির ক্ষতি হলে তারা তার ক্ষতিপূরণ দিবেন।

আহতদের অভিযোগ একই ভাবে ঘটনার দিন শুক্রবার সকালে তারা গত বছরের মতো তাদের কৃষি জমির পাশের ওই পুকুরে মিনি ড্রেজার বসিয়ে মাটি দিয়ে তাদের বসত বাড়ির জায়গা ভরাট করেন। এতে আহতদের কৃষি জমি ভেঙ্গে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়। আর এ বিষয়ে ঘটনার দিন রাত ৯ টার দিকে তাদের বাড়ির সামনে দোকানের কাছে আহত আলমগীর প্রধান এবং তার ভাতিজা রাসেল এ বিষয়ে নুর নবী, মিজান প্রধানীয়াসহ তাদের লোকজনের কাছে জানতে চাইলে তারা তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে লাঠি সোঠা দিয়ে তাদের ওপর হামলা চলায়। এসময় স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে বৃদ্ধ খাদিজা বেগম ও তার মেয়ে আন্নি বেগমসহ তাদের পরিবারের অন্যান্যদের ওপর নুর নবী প্রধানীয়া, মিজান প্রধানীয়া, মোজ্জামেল প্রধানীয়া, তাজু প্রধানীয়া, আবুল কালামের ছেলে দেলোয়ার, মোজাম্মেলের ছেলে আশিক, নাজিরসহ অজ্ঞাত আরো বেশ ক,জন মিলে হামলা চালিয়ে গুরুতর ভাবে আহত করেন। প্রথমে তাদেরকে মতলব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে পরের দিন তাদের কে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত মিজান প্রধানীয়া ও দেলোয়ার হোসেন, জানান, তাদের সাথে প্রথমে একটা পুকুর নিয়ে আমাদের ঝগড়া শুরু হয়। তারা মারামারি করে আমাদের ৩/৪ জনকে মেরে আহত করেছে। তারা যে অভিযোগ দিয়েছে, তার চেয়ে বেশি তারা আমাদেরকে মেরেছে। আমাদের লোকজনকে কুপিয়েছে। আমরা আহত হওয়ার পর বাড়ি থেকে বের হতে দেয়নি। পরে গ্রামের মেম্বার এবং পুলিশ আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। আমরা তিনজন বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।

প্রতিবেদক: কবির হোসেন মিজি, ৩ মার্চ ২০২৪