চাঁদপুর

চাঁদপুরে ৩ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ প্লাস

সারাদেশ ব্যাপি ‘ভিটামিন এ খাওয়ান,শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমান’এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০১৯’ আজ ৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে। চাঁদপুরে এর লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ২১ হাজার ২শ’১৩ জন।

চাঁদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সকল গনমাধ্যমের কর্মীদের নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

আমাদের দেশে ভিটামিন এ এর অভাবজনিত সমস্যা প্রতিরোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় জাতীয় পুষ্টিসেবা,জনস্বাস্থ্য, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান বছরে দু’বার জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর সার্বিক সহায়তায় জাতীয় পুষ্টি সেবা ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রাণালয় সাড়া দেশব্যাপি জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করে আসছে।

শিশুর অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ,শারীরিক বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সারা দেশের ন্যায় শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) চাঁদপুরের ৮ উপজেলা ও ২টি পৌরসভায় মোট ৩ লক্ষ ২১ হাজার ২’শ ১৩ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

এর মধ্যে জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী মোট ৩৫ হাজার ৯৯৬ জন এবং ১২ থেকে ৫৯ বয়সী শিশু রয়েছে মোট ২ লক্ষ ৮৫ হাজার ২১৭ জন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহকারী স্টোর কিপার আজিজুল ইসলাম জানান, শনিবার ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে যা ১ লক্ষ আই ইউ। ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে লাল রঙ্গের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে যা ২ লক্ষ আই ইউ। তবে এই ক্যাপসুলটি শিশুর খাওয়া জরুরি বটে তবে শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ন হলেই মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমান মতো ঘরে তৈরি সুষম খাওয়ার বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান বিভাগের আওতায় শনিবার এই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে সকাল ৮ টা থেকে বিরতিহীনভাবে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত। এজন্য জেলায় মোট ২ হাজার ৩৩৩ টি কেন্দ্রের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিভাগের ৫৫৯ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ৪৮০ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় এছাড়াও এই কাজে আরো ৩ হাজার ৬২৭ জন স্বেচ্ছাসেবকও মাঠে কাজ করবে।

প্রসঙ্গত, চিকিৎসকদের মতে,ভিটামিন এ শিশুদের অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকে রক্ষা করে,শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তিকাল ও জটিলতা, শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

স্টাফ করেসপন্ডেট
৯ ফেব্রুয়ারি,২০১৯

Share