চাঁদপুর

বিষ্ণুপুর ধনপদ্দি বরদিয়া আড়ং খেয়াঘাট মাদকসেবী ও ইভটেজারদের উপদ্রব

মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ-চাঁদপুর সদরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের সাথে ¯^ল্প সময়ে যোগাযোগের জন্যে বিষ্ণুপুর ধনপদ্দি বরদিয়া আড়ং খেয়া ঘাটটি মানুষের পারাপারের সহজতর পথ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন মৌজায় অবস্থিত খেয়াঘাট দিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে রাতঅদ্বি শত শত মানুষজন পারপার হচ্ছে। এছাড়া এ পথে অতিদ্রুত ঢাকায় যাতায়াত করা যায় বলে মানুষ এ খেয়া ঘাটটি ব্যবহার করছে। প্রতিদিন ঢাকাগামী শত শত মানুষ এ পথে যাতায়াত করে আসছে।

শুধু মানুষজন নয়, এ ঘাট দিয়ে মানুষের নিত্যনিদের পণ্য সামগ্রি পারপারে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মতলব উত্তর উপজেলার দক্ষিন ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ বিকল্প পথ হিসেবে বরদিয়া আড়ং খেয়া ঘাট দিয়ে যাতায়াত করছে। এতে করে যেমনি ভাবে সময়, খরচ ও সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছে। এমনকি মতলব দক্ষিণসহ চাঁদপুরের মানুষজনও এ বিকল্প খেয়া ঘাটটি ব্যবহার করছে। ইঞ্জিন চালিত কোন যানবাহন পারাপার না হলে এ খেয়াঘাট দিয়ে মালামাল সহ মানুষ জন পারাপার হচ্ছে। সে কারনে সময় ও অর্থ দুটেই সাশ্রয় হচ্ছে।

এদিকে খেয়া ঘাটটি সম্প্রতি মাদকসেবী ও ইভটাজারদের আড্ডায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে প্রতিদিন সকাল ও বিকেলে মোবাকরদি বরদিয়া আড়ং নদীর পাড়ে যাত্রী ছাউনি নিচে এ সকল মাদকসেবী ও ইভটেইজাররা স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের সর্বদা উত্ত্যক্ত করে থাকে।

শুধু তাই নয়, নেশাখোররা বিষ্ণুপুর এলাকায় অবস্থিত খেয়া ঘাটের যাত্রী ছাউনিটি ভাংচুর করে। যাত্রীদেরও আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এছাড়ও অভিযোগ রয়েছে, অনেক যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও বিভিন্ন মালামাল রেখে দিচ্ছে।

এ বিষয়ে মতলব পৌরসভার কাউন্সিলর বুলবুল এবং গন্যমান্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে তারাও ঘটনার সত্যতা শিকার করেন। এ বিষয়ে তারা নিজেরাও সরেজমিনে এসব ঘটনার আলামত প্রত্যক্ষ করেছেন।

মঙ্গলবার সরেজমিনে চাঁদপুর থেকে বেশকজন সাংবাদিক খেয়া ঘাটে বিষয়টির ব্যাপারে খোজ খবর নেন। এ সময় নদীর ওপার থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকা যোগে মতলব উত্তরের মানুষজন এপারে আসেন এবং এপার থেকেও ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে বেশ কিছু নারী-পুরুষ ওপারে যান।

এ সকল খেয়া পারাপারের যাত্রীদের আলাপ করলে তারা জানান, আমরা এখন ¯^চ্ছন্দে এবং কম সময়ে নদীর এপার থেকে ওপারে যাতায়াত করতে পারছি। এরপূর্বে মতলবগঞ্জ ফেরি দিয়ে বা নৌকাযোগে এপারে-ওপারে যাতায়াত করতে হতো। এতে করে অর্থের পাশাপাশি সময়ও খুব বেশি ব্যয় হতো। কিন্তু মোবারকদি বরদিয়া আড়ং খেয়া ঘাটটি করার পর থেকে আমাদের অনেক সুবিধা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে গ্রামিন মাটির রাস্তা সমূহ টেকসই করনের লক্ষে হেবিং বোন বন্ড (এইচবিবি) করণ প্রকল্পের আওতায় এ সড়কটির কাজ ও খেয়া ঘাটের ছাউনির কাজ সম্পন্ন করে। ২০১৮ সালের ৮জুন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী, স্থানীয় সাংসদ মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এমপি আনুষ্ঠানিক ভাবে লোক পারাপারের জন্য উদ্বোধন করেন।

প্রতিবেদক- শরীফুল ইসলাম

Share