বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে সংসদ সদস্য হলেন ড. সেলিম মাহমুদ

সারা দেশের ন্যায় চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ১০৯ টি ভোট কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়। ফলাফলের দিক থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত ড. সেলিম মাহমুদ (নৌকা) পেয়েছেন ১ লক্ষ ৫১ হাজার ৩শত ৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদন্দ্বী ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ এর প্রার্থী মো. সেলিম প্রধান (চেয়ার) পেয়েছেন ৫ হাজার ৭ শত ৩৮ ভোট। ভোটের শতকরা হার ৫০.১৮%। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলো ৩ লক্ষ ২৫ হাজার ৭শত ৫৯ জন। তন্মধ্যে ১ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪শত ৫৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

রবিবার রাত ৯টায় কচুয়া উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৪ এর ফলাফল বেসরকারি ভাবে ঘোষণা করেন, সহকারি রিটার্নিং অফিসার ও কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হাসান। এসময় সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইবনে আল জায়েদ হোসেন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার কাজী আবু বকর সিদ্দিক, কচুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মো. আইয়ুব আলী পাটওয়ারী, সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন চৌধুরী সোহাগসহ বিভিন্ন বিভাগীয় কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনে রবিবার দিনভর উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ন পরিবেশ ও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চাঁদপুরের কচুয়ায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। ওই দিন কনকণে শীত উপেক্ষা করে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে নারী-পুরুষ, প্রতিবন্ধী ও বৃদ্ধ ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে ৩জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদন্দ্বীতা করেন। রবিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ নৌকার মনোনীত প্রার্থী ড. সেলিম মাহমুদ পালাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিজ কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন। পরে নৌকার প্রার্থী ড. সেলিম মাহমুদ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে দীর্ঘদিন পর মানুষ উৎসবমূখর পরিবেশে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন বলে দাবি জানিয়ে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে এ নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করা হয়েছিলো। দেশের মানুষ তাদের ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছেন।

ওই দিন দিনভর কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০৯টি ভোট কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি ছিল লক্ষনীয় তবে দুপুরের আগে কোনো কোনো কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম ছিলো। এছাড়া সুষ্ঠু ও বিশ্বাসসযোগ্য ভোট গ্রহণের লক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু, ৭ জানুয়ারি ২০২৪

Share