জাতীয়

বাড়তে পারে বৃষ্টি : আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান

রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ স্থানে আজ শুক্রবার বৃষ্টি বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতও হতে পারে। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টি বেশি হতে পারে।

এদিকে, বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় আসছে। তার নাম ‘আম্ফান’। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এসব কথা বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়। এদিন রাজধানীতে সকাল ছয়টা থেকে সন্ধা ছয়টা পর্যন্ত এক মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। সেই তুলনায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বৃষ্টি ভালোই হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে বলা হয়, বৃহস্পতিবারের মধ্যে আন্দামান সাগরের কাছে একটি নিম্নচাপ তৈরি হবে। যা দুই–তিন দিনের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে পরিণত হবে।

কিন্তু গতকাল তা হয়নি। আজ শুক্রবার যে হবে, সে নিশ্চয়তা নেই। আবহাওয়াবিদেরা বলছেন, আবহাওয়ার ধরনই এমন। শতভাগ নিশ্চিত করে কিছু বলা যায়। শুধু সম্ভাব্যতার কথা বলা যায়।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বিষয়ক বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়, ৩০ এপ্রিলের কাছাকাছি সময় দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কাছের স্থানে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে, অর্থাৎ শনিবারের মধ্যে তা ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে পরিণত হতে পারে। এটি ৩ থেকে ৫ মে তারিখের মধ্যে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কক্সবাজার–চট্টগ্রাম উপকূলের দিকে আঘাত হানতে পারে।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে ৫ থেকে ৭ মে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে স্বাভাবিকের চেযে বেশি উচ্চতার জোয়ারের পানি থাকতে পারে। দেশের অন্যান্য স্থানেও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বৃষ্টি বাড়তে পারে। আর শুক্র বা শনিবারের মধ্যে আন্দামান সাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সব লক্ষণ আছে।

ঢাকা ব্যুরো চীফ,১ মে ২০২০

Share