সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ১১ দাবি বাস্তবায়ন চায়

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত সহকারী প্রধান শিক্ষকরা নানা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ বাংলাদেশ সহকারী প্রধান শিক্ষক পরিষদের। এসব বৈষম্য নিরসনে এমপিও নির্দেশিকা মানার দাবি তাদের।

সে ক্ষেত্রে ১০ বছর ও ১৬ বছর সন্তোষজনক চাকরি শেষে তাদেরকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দুটি উচ্চতর গ্রেড প্রদান করাসহ ১১ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।

সংগঠনের সভাপতি মো.রফিকুল ইসলাম বলেন,‘দাবি আদায়ে আলোচনা করব। যদি আলোচনায় সমাধান না আসে তাহলে আমরা রাস্তায় নেমে আন্দোলনে যাব।’

শিক্ষকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ম্যানেজিং কমিটি/গভর্নিং বডিতে পদাধিকারবলে সহকারী সদস্য সচিব হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা।

সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দপ্তর/সংস্থা/অফিস কর্তৃক সময় চাহিদার ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক রিপোর্ট তৈরি/দাখিলের সময় সহকারী প্রধান শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করা এবং তাদের স্বাক্ষর নেয়া। অধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে সহকারী প্রধান শিক্ষকদের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নিশ্চিত করা।

দাবির মধ্যে আরও রয়েছে-সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে কমপক্ষে তিন বছর দায়িত্ব পালন শেষে যাতে উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়, স্কুল অ্যান্ড কলেজে অধ্যক্ষ পদে আবেদন করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ পেতে পারেন সেই সুযোগ প্রদান করা। সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদটিকে উপাধ্যক্ষ পদে উন্নীত করা (যা বর্তমানে সমমানের মাদ্রাসায় বিদ্যমান)।

প্রতিষ্ঠান প্রধানসহ সব পদে কর্মরতদের যুগোপযোগী চাকরিবিধি প্রণয়ন করা এবং তা বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতীয়করণ করা এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে ডেপুটেশনে কাজ করার সুযোগ প্রদান করা ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বন্ধ করা।

১০ সেপ্টেম্বর ২০২২
এজি

Share