শুষ্ক মৌসুমে ৬,২০০ ও বর্ষায় ৮ হাজার কি.মি. নাব্য নৌ-পথ রয়েছে : নৌ-পরিবহন মন্ত্রী

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, দেশের নৌপথের নাব্যতা সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে প্রতিবছর নিয়মিত সংরক্ষণ ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে নাব্য নৌপথের দৈর্ঘ্য ৬ হাজার ২শ’ কিলোমিটার এবং বর্ষা মৌসুমে ৮ হাজার কিলোমিটারে পৌঁছেছে।

আজ সংসদে জামালপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো.মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিলে উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, নৌপথের উন্নয়ন, নাব্যতা বৃদ্ধি এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

চলমান প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তুলাই ও পুনর্ভবা নদীর নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প। এছাড়া মিঠামইন উপজেলার ঘোড়াউতরা ও বোলাই-শ্রীগাং নদীর অংশবিশেষ, ইটনা উপজেলার ধনু ও নামাকুড়া নদী এবং অষ্টগ্রাম উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর অংশবিশেষের নাব্যতা উন্নয়ন ও পুনরুদ্ধার (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, জিনাই, ঘাঘট, বংশী ও নাগদা নদীর প্রবাহ পুনরুদ্ধার, শুষ্ক মৌসুমে নদীর প্রবাহ নিশ্চিতকরণ, নৌপথ উন্নয়ন এবং বন্যা ব্যবস্থাপনা শীর্ষক প্রকল্পও চলমান রয়েছে।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী বলেন, দেশের নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে এবং নাব্যতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৭০ কিলোমিটার নৌপথ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাসস

২৫ জুন ২০২৬
এ জি