হাজীগঞ্জ

ত্রাণে স্বচ্ছতা আনতে হাজীগঞ্জের ইউএনওর ‘স্ট্যাটাস’

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনা ভাইরাসের প্রদুর্ভাবের কারণে গত ১ এপ্রিল থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত ১৪৪ টন খাদ্য সামগ্রী, নগদ ৪ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা, শিশু খাদ্য ৩৩৭ প্যাকেট বরাদ্ধ প্রদান করা হয়েছে।

নগদ নগদ ৪ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা পৌরসভা ও প্রত্যেক ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের মাঝে সমহারে বন্টন করা হয়।

রবিবার ও সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া পরিসংখ্যান মূলক একটি চিত্র তুলে ধরেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তথ্যমতে, সুবিধা পেয়েছে পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের ১৪ হাজার ৩’শ জন। উপজেলা ও পৌরসভায় তালিকাভূক্ত দরিদ্র রয়েছে ২৩ হাজার ৪‘শ ৭৬জন। যারা এ সুবিধা পায়নি পরবর্তীতে তারা এ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

জানতে চাইলে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণসহ অন্যান্য সকল কার্যক্রম অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে বাস্তবায়নের নিমিত্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণের সাথে জরুরি সভা করা হয়। ওই বৈঠকে প্রাপ্ত নগদ টাকার চেক ও শিশু খাদ্য বিতরণ করা হয়।

তিনি আরো বলেন, সকলের প্রতি অনুরোধ, না বুঝে, না জেনে কারো সম্পর্কে মন্তব্য করবেন না। যারা কাজ করছে তাদেরকে উৎসাহিত করুন। এখনো অনেকে আছেন, যারা পাননি।তারা বরাদ্দসাপেক্ষে অবশ্যই পাবেন। কোন দুঃস্থ মানুষের নাম তালিকায় না থাকলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

তবে ইউএনওর স্ট্যাটাস নিয়ে চেয়ারম্যানদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ রয়েছে বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, নগদ টাকা ও শিশুখাদ্য পেয়েছে আজ সোমবার। অথচ নির্বাহী কর্মকর্তা রবিবার রাতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম স্ট্যাটাস দিয়ে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করেছে। আমাদের প্রতিপক্ষের চক্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুখাদ্য ও নগদ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে তুলে ধরেছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ত্রাণের পরিসংখ্যান তুলে ধরায় প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও।

প্রতিবেদক:মনিরুজ্জামান বাবলু,২০ এপ্রির ২০২০

Share