চাঁদপুর শহরে আরএস টাওয়ার পরিদর্শনে পৌর কর্তৃপক্ষ, খুব শিগগিরই সিদ্ধান্ত
বিদ্যুতের ৩৩ ও ১১ হাজার ভোল্টেজের সঞ্চালন লাইনের পাশে থাকা চাঁদপুর শহরের নিউ ট্রাক রোডের ঝুঁকিপূর্ণ আর.এস টাওয়ার পরিদর্শন করেছেন পৌরসভার নগর পরিকল্পনাবিদ সোহরাব হোসেন, নকশাকার জাহিদ হোসেন ও সার্ভেয়ার মনির হোসেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন করেন পৌরসভার এসব কর্মকর্তারা। এ সময় তারা ওই ভবনের দখলীয় জায়গা পরিমাপ করেন।
নগর পরিকল্পনাবিদ সোহরাব হোসেন বলেন, এই ভবনটি নকশা অনুযায়ী করা হয়েছে কিনা আবারও পরিমাপ করা হয়েছে। বিষয়টি বাড়ির নকশার সাথে মিলিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এদিকে এই ভবনটি বিদ্যুতের লাইনের সাথে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকার কারণে বাড়ির মালিক মো. রাসেল হোসেন মিজি ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রথমবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। সঞ্চালন লাইনটি নিরাপদে নেয়ার জন্য আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এরই মধ্যে এই ভবনে বেড়াতে আসা রাব্বি (৪) নামে এক শিশু বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ অক্টোবর মারা যায়। আরেক শিশু ফাইজা আক্তার (৬) চিকিৎসাধীন। এর আগে ৩ অক্টোবর বেলা ২টার দিকে এই দুই শিশু গুরুতর আহত হয়।
এই ঘটনার পর গত ৬ অক্টোবর আরএস টাওয়ারের মালিক রাসেল হোসেন আবারও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর নিরাপদে এই সঞ্চালন লাইন সরিয়ে নিতে আবেদন করেন। ওই আবেদনে তিনি দুই শিশু আহত এবং এক শিশু মৃত্যুর ঘটনাটি উল্লেখ করেন।
ভবন মালিক রাসেল হোসেন মিজি বলেন, তিনি বলেন খরিদসূত্রে ৬ দশমিক ২৪ পয়েন্ট জমি মালিক। এর মধ্যে তিনি ৫ দশমিক ১০ পয়েন্টে পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন করে বাড়ির করেছেন। বাকি জায়গা ভবনের চারপাশে আছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে সড়ক বর্ধিত করার সময় তৎকালীন পৌর মেয়রের অনুরোধে ভবনের সামনের ৩টি সিঁড়ি ড্রেনেজ নির্মাণের জন্য ছেড়ে দেয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন সরিয়ে নিরাপদে নেয়ার জন্য ২০২২ সালে এবং সর্বশেষ বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশু মারা যাওয়ার পর গত ১২ অক্টোবর পুনরায় আবেদন করা হয়।
প্রতিবেদক: মাজহারুল ইসলাম অনিক/
২৫ অক্টোবর ২০২৬