চাঁদপুর

চাঁদপুরকে নৌ-পর্যটন জেলা করার পরিকল্পনায় বিভিন্ন নদীজোন এলাকা পরিদর্শন

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডলের সার্বিক তত্ত্বাবধানে চাঁদপুরকে নৌ-পর্যটন জেলা হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া ও ধনাগোদা নদী জোনের বিভিন্ন স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ লুৎফর রহমান।

শনিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি টিম চাঁদপুর বড়স্টেশন মোলহেড, পুরাণবাজার ব্রিজ, ইচলী ফেরী ঘাট, চাঁদপুর-ফরিদগঞ্জ (গাছতলা-ওয়ারল্যাস ) ব্রিজ, ডাকাতিয়া নদীর ফরিদগঞ্জ এলাকা, নদীর পশ্চিম পাশ্বের রাজরাজেস্বর, ইব্রাহীমপুর, মাঝের চর, লঙ্গিমারা চার, জাহাজ মারার চর, লক্ষ্মির চর, বহের চর, ষাটনল, বাবু বাজার, মোহনপুর, এখলাছপুর, আমিরাবাদ, ধনাগোদা নদীর মতলব দক্ষিণ ফেরীঘাট, বহরিয়া, হরিণা ফেরীঘাট, চরভৈরবি, হাইমচরসহ পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া ও ধনাগোদা নদী জোনের বিস্তৃর্ন জল এলাকা সরেজনি পরিদর্শন করে।

এসময় পর্যটন পরিকল্পনার সাথে সংশ্লিষ্ট সম্ভাব্য স্থানসমুহের স্থিরসহ বিভিন্ন প্রামান্যচিত্র ধারণ করা হয়। এছাড়াও কর্মকর্তারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, জেলে ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলেন।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ লুৎফর রহমানের সাথে অন্যানের মধ্যে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত কম্পিউটার প্রগ্রামার মো. হারুনুর রশিদ, বাংলাদেশ স্কাউট চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর জোনের সহকারি পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, জেলা কালচারাল অফিসার আবু সালেহ মো. আব্দুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। সরেজমিন পরিদর্শনকালে ষাটনল লঞ্চঘাটে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা ও স্থানীয় চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ লুৎফর রহমান জানান, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের তত্ত্ববধানে চাঁদপুরকে নৌ-পর্যটন জেলা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৩বছরের সল্প মেয়াদি পরিকল্পনা ও ১০ বছরের দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। কার্যক্রমটি বর্তমানে পরিকল্পনা গ্রহনের পর্যায়ে রয়েছে।

পরিদর্শনকৃত স্থানগুলোর স্থিরচিত্র, প্রমান্যচিত্র এবং তথ্যগুলো কর্মপরিকল্পনায় প্রস্তাব আকারে জেলা পর্যটন কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হবে। পরে এ বিষয়ে সকল পর্যায়ের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ সর্বসাধারণের মতামত নেয়ার জন্য মতবিনিময় সভা করে চূড়ান্ত প্রস্তাবনা বাংলাদেশ পর্যটন করর্পোরেশন ও পর্যটন মন্ত্রনালয়কে অবহিত করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পর্যটন কর্পোরেশন ও মন্ত্রনালয়ের নিদের্শনা পাওয়ার পরে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগেও বেশ কয়েকবার উল্লেখিত স্থানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে।

।। আপডেট ১২:০৫ পিএম, ১৮ অক্টোবর, ২০১৫ রোববার

প্রতিনিধি/ডিএইচ

আশিক বিন রহিম

Share