নজরুল বর্ষ উপলক্ষে : তিন দেশের নাগরিক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম
বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মূলত : ৩ দেশের নাগরিক ছিলেন। তিনি ১৮৯৯ সালের ২৪ মে দিবগত রাত ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা ছিলেন কাজী ফকির আহমেদ। মা জাহিদা খাতুন। বাবা ফকির আহমদ ছিলেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম এবং মাযারের খাদেম। দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করা নজরুলের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মভিত্তিক। নজরুলের তিন ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ কাজী আলী হোসেন এবং দু বোনের মধ্যে সবার বড় কাজী সাহেবজান ও কনিষ্ঠ উম্মে কুলসুম। কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল “ দুখু মিয়া ”।
তখন পাক-ভারত উপমহাদেশ ছিলো-বৃটিশদের অধীন। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ইংরেজদের সাথে বাংলার শেষ নবাব আলীবর্দী খাঁর দেীহিত্র নবাব সিরাজের সাথে ভাগিরথী নদীর তীর পলাশীর প্রান্তরে যুদ্ধ হয়্। সেই যুদ্ধেই নবাব সিরাজ পরাজয় বরণ করায় প্রায় আড়াইশ’ বছরের জন্যে পাক-ভারত উপমহাদেশটি বৃটিশদের অধীনে চলে যায়। ১৯৪৭ সালে এটি স্বাধীনতা লাভ করে। তাই কাজী নজরুল ইসলাম জন্মসূত্রে ঐ সময়ের জন্যে তিনি ছিলেন বৃটিশ নাগরিক।
কাজী নজরুর ইসলাম ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে যোগদান করেন। ১৯১৯ সালে যুদ্ধ শেষে তিনি পাকিস্তানের করাচী থেকে কলিকাতায় আসেন। ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে তাঁর বিখ্যাত ‘ বিদ্রোহী ’ কবিতাটি লিখে বৃটিশদের রোষানলে পতিত হন। বিদ্রোহী কবিতাটি লিখেই তিনি বিদ্রোহী কবি হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন। এ কবিতার ভাষায় তিনিই প্রখম বৃটিশদের কাছে ভারত স্বাধীনতা চান। অন্য কটি কবিতা লিখে তিনি জেলেও যান।
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি। কেননা একমাত্র কাজী নজরুল ইসলামের কবিতাতেই সঠিক এবং পরিপূর্ণভাবে বিধৃত হয়েছে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের কথা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের জীবনালেখ্য। তিনি লিখেন ৯শ কবিতা ও ২ হাজার ৮শ’ গান, সাড়ে ৪শ’ শ্যামা সংগীত ও ১শ ৯৪টি গজল। ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে তিনি নির্ভাক হওয়া অসুস্থতায় পতিত হন। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করেন। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতেই ছিলেন। সুতরাং ঐ সময় পর্যন্ত তিনি ভারতীয় নাগরিক । তবে তিনি ১৯২১ সাল থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত কবি কাজী নজরুল ইসলাম তৎকালীন সময়ে আমাদের দেশে অন্তত: ৩০ বার বিভিন্ন কারণে এসেছেন।
সারা জীবনে নানা উপলক্ষে বিভিন্ন সময়ে কবি নজরুল বাংলাদেশে এসেছেন। বাংলার প্রতি ছিল তাঁর বিশেষ টান। বাংলাদেশও তাঁকে প্রতিবার বরণ করে নিয়েছে নিজের মতো করে। ধারণা করা হয়- তিনি সব মিলিয়ে দেশের ২৬টি জেলা ঘুরে বেড়িয়েছেন। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার সঙ্গে তাঁর ছিল অন্য রকম সম্পর্ক। জীবনের বেশ গুরুত্বপূর্ণ কিছু সময় কবি এখানেই কাটিয়েছেন। কারণ হলো -দুটো বিয়ে করেছেন-তিনি কুমিল্লায়। তিনি যৌবনের নৈসর্গিক চিন্তা-চেতনা ও যৌবনাদীপ্ত সময় কাটান কুমিল্ল্ায়। কবির সাথে নার্গিস ও দুলির গভীর প্রণয় সূত্র ছিল। সৈয়দা আসা খাতুন ওরফে-নার্গিসের বাড়ি দৌলতপুরে তিনি এক নাগারে ৪১ দিন কাটিয়েছেন। এখানে তিনি ১২০টি কবিতা ও ১৬০ টি গান রচনা করেন।
কবির প্রিয় পারশ্যের কবি হাফিজের প্রিয় ফুল ছিল-নার্গিস। এ নামের অর্থ হলো- গুল্ম ফুল। সেই কারণেই তিনি আলী আকবর খানের ভাগিনী সৈয়দা আসা খাতুনকে প্রণয় সূত্রে ‘নার্গিস’ নাম দেন। ১৯২১ সালের ১৭ জুন তিনি নার্গিসকে বিয়ে করেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের কারণে বাসর রাতেই তিনি নার্গিসদের বাড়ি ত্যাগ করে দৌলতপুর থেকে পায়ে হেঁটে কুমিল্লার কান্দির পাড় বসন্ত কুমারের বাড়িতে উঠেন। অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রায় ২০ দিন তিনি সেখানে থাকেন। ৮ জুলাই ১৯২১ তিনি আর তার বন্ধু মোজাফ্ফর আহমেদসহ ট্রেন যোগে লাকসাম হয়ে চাঁদপুর আসেন।
সম্ভবত: ট্রেনের সময়ের মার-প্যাঁচে গোয়ালন্দের স্টীমার ফেল করায় চাঁদপুরের ডাকঘরের তৎকালীন বাংলোয় রাত্রি যাপন শেষে পরের দিন ৯ জুলাই ১৯২১ স্টীমারে গোয়ালন্দ চলে যান। ১৯২৪ সালে তিনি প্রমীলাকে বিয়ে করার কারণে বেশ ক’বার কুমিল্লা আসেন। অবশ্য প্রমীলা ও নজরুলের বিয়ের অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের হুগলীতে হয়। তার নাম ছিল আশালতা ওরফে দুলি বা দোলন। নজরুল প্রণয়সূত্রে তাঁর নামও রাখেন প্রমীলা।
প্রমীলা ১৯৩৯ সালে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইলিল রোগে আক্রান্ত হন। ১৯৬২ সালের ৩০ এপ্রিল কলিকাতায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর কথামতে- তাঁকে চুরুলিয়ায় মুসলমান রীতিতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে প্রমীলার দাবি ছিল- নজরুল মৃত্যবরণ করলে-তাঁকে যেনো প্রমীলার পাশে কবরস্থ করা হয়। কিন্ত তাঁরই লেখা একটি গানের কারণে ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তে তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয় ।
এ দিকে ১৯৩৬ সালে নজরুল ও নার্গিসের বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর ১৯৩৭ সালে ১৬ বছর অপেক্ষার প্রহর শেষে নার্গিসের দ্বিতীয় বিয়ে পুস্তক ব্যবসায়ী আজিজুল হাকিমের সাথে হয়। একাত্তরের প্রারম্ভে নার্গিস বিলেতে ছেলের কাছে চলে যান। নজরুলের মৃত্যুর পর একবার দেশে এসে নজরুল সমাধিতে গিয়েছিলেন নার্গিস অনেকটা নিভৃতেই।
১৯২৯ সালের ১০ ডিসেম্বর অবিভক্ত ভারতের কলকাতার এলবার্ট হলে সমগ্র বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে নেতাজী সুবাস চন্দ্র বসু, বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়,এস.ওয়াজেদ আলী, দীনেশ চন্দ্র দাশসহ বহু বরণ্যে ব্যক্তিত্বের উপস্থিতিতে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কাণ্ডারী’ এবং ‘জাতীয় কবি’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেন। নজরুলের বয়স তখন ৩০। কিন্তু সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃত হলেও কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করে ইতিপূর্বে সরকারিভাবে কোনো গেজেট প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে ১৯৭২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশে তার ৭৩তম জন্ম-জয়ন্তীতে তৎকালীন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক সরকারি উদ্যোগের প্রচেষ্টায় অতি গোপনীয়তা রক্ষা করে ভোর ৪ টায় কলকাতা দম দম বিমান বন্দর থেকে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে সপরিবারে তাঁকে ঢাকায় আনা হয় এবং তাঁর বসবাসের জন্য ধানমন্ডির ২৮ নম্বর পুরাতন সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ প্রদান করা হয়। এছাড়াও তাঁর নিয়মিত চিকিৎসা সেবার জন্যে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। তখন থেকেই তাঁকে জাতীয় কবির মর্যাদা দেয়া হয়। তাঁর রচিত -চল-চল-চল গান টি আমাদের রণসংগীত হিসেবে গ্রহণ করা হয় ।
তবে ১৯৭৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ সালে বিদ্রোহী কবিকে একুশে পদক দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কবি নজরুল ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট ইন্তেকাল করেন। ৭৭ বছর জুড়ে ছিল তাঁর সৃষ্টি ও সৃজনশীলতার এক বিশাল ইতিহাস। ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত এ ৩৩ বছর কবি বাকরুদ্ধ ছিলেন।
১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ২৩ বছর কবিপত্মী প্রমীলা পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইলিল রোগে আক্রান্ত থেকেই কবির পাশে মৃত্যুবরণ করেন। ১৯২১ সাল থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত নার্গিস কবির জন্যে ১৬ বছর অপেক্ষারত ছিলেন। ১৯৩৮ সাল থেকে প্রায় চব্বিশ বছর সংসার অতিবাহিত হওয়ার পর ১৯৬২ সালে নার্গিসের স্বামী আজীজুল হাকিম মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬২ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত এ ২৩ বছর নার্গিস স্বামীহারা ছিলেন। ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ১৪ বছর নার্গিস লন্ডনের ম্যানচেস্টারে ছেলের বাসায় দিন অতিবাহিত করেন। ১৯৮৫ সালে ম্যানচেস্টারে একমাত্র সন্তান ডা. ফিরোজের বাসভবনে ৮১ বছর বয়সে নার্গিসের মৃত্যু হয় এবং ম্যানচেস্টারে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয় ।
এ বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মানসূচক পদক ‘ একুশে পদকে ভূষিত ’ করা হয়। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বঙ্গভবনে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদউল্লাহ কবি কাজী নজরুলকে ডি. লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।
কাজী নজরুল ইসলামকে ‘জাতীয় কবি’র রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেন ২০২৫ সালে। বর্তমান সরকারও তাঁকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিদিয়ে কাজী নজরুল ইসলামের নাম গেজেটভ’ক্ত করা হয়। ১৯৭২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশে আসার তারিখ থেকে তাঁকে বাংলাদেশের ‘জাতীয় কবি’ ঘোষণা করে একটি গেজেট প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো.আতাউর রহমান স্বাক্ষরিত এক গেজেট প্রজ্ঞাপনে বলা হয়- ২০২৫ এর ৫ ডিসেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি ঘোষণা করা হয়েছে এবং এটি সকলের অবগতির জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি ব্রিটিশ ভারত, ভারত ও বাংলাদেশ-এ তিন রাজনৈতিক ভূ-খণ্ডের সাথে নাগরিকত্ব বা পরিচয়ের সূত্রে যুক্ত ছিলেন। নাগরিকত্বের পর্যায়ক্রম ব্রিটিশ ভারত: জন্মকাল ১৮৯৯ থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ পর্যন্ত। ভারতে ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশেই অবস্থান করেন। ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে কবির সবচেয়ে ছোট ছেলে এবং বিখ্যাত গিটারবাদক কাজী অনিরুদ্ধ মৃত্যুবরণ করে।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের জাতীয় কবির মর্যাদার বিষয়টি ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত সত্য এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়েও স্বীকৃত। বাংলাদেশের জনগণ তাঁকে তাঁর ঢাকায় আগমনের তারিখ থেকে জাতীয় কবি ঘোষণা করে সরকারি প্রজ্ঞাপন প্রত্যাশা করে আসছিল। উপদেষ্টা পরিষদ এ প্রত্যাশা অনুযায়ী এ প্রস্তাব অনুমোদন করে। এ বিষয়ে কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক লতিফুল ইসলাম শিবলী বলেন, ’’ এ চাওয়া দীর্ঘ দিনের।
অনেক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নজরুল ভক্তরা এ দাবিতে রাজপথ থেকে শুরু করে আদালত পর্যন্ত দৌড়েয়েছেন। অনেক লেখালেখি হয়েছে, জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়েছে। লতিফুল ইসলাম শিবলী বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের ফসল বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের এ সিদ্ধান্তটি ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ দেশের সাধারণ মানুষের আন্তরিক প্রত্যাশা সত্ত্বেও অতীতে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো সরকার এ সিদ্ধান্তটি নেয়নি।’’ বর্তমান সরকারের আন্তরিকতার কারণে এটি সম্ভব হয়েছে। সে জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।
লতিফুল ইসলাম শিবলী বলেন, ‘’ কবি নজরুল ইন্সটিউটের দায়িত্ব পাওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে একটা দীর্ঘ দিনের দাবি বাস্তবায়িত করতে পেরে মহান আল্লাহর শুকরীয়া আদায় করছি—আলহামদুলিল্লাহ। ’’
এ দিকে ২০০৪ সালে তিরিশ দিনের চালানো জরিপে শ্রোতাদের ভোটে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ২০ জন বাঙালী ব্যাক্তির জীবন নিয়ে একটি জরিপ চালানো হয়। বিবিসি বাংলার সেই জরিপে শ্রোতাদের মনোনীত শীর্ষ কুড়িজন বাঙালির তালিকায় তৃতীয় স্থানে আসেন কাজী নজরুল ইসলাম।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম যার গান ও কবিতা যুগে যুগে বাঙালির জীবন সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে। পরবর্তীকালে তাঁকে জাতীয় কবি হিসেবে সম্বোধন করে কবি নজরুল ইনস্টিটিউট আইন ২০১৮ জারি করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৪ মে পর্যন্ত ‘ নজরুল বর্ষ ’ঘোষণা করেন।
তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া, বাংলা অনলাইন লাইন পোর্টাল। লেখক : আবদুল গনি , শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও গণমাধ্যমকর্মী , চাঁদপুর। ৩০ জুলাই ২০২৬।
আবদুল গনি
১৭ জুলাই ২০২৬
এ জি