কচুয়ায় ধসে পড়ল প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবন, ক্ষতি ৪০ লাখ টাকা
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামে বর্ষা মৌসুমে অপরিকল্পিতভাবে পুকুরে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে পানি কমানোর কারণে এক প্রবাসীর নির্মাণাধীন ভবন সম্পন্ন ধসে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভবন মালিক প্রবাসী ও পুলিশের এএসআই মহিউদ্দিন মানিকের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কচুয়া উপজেলার তেতৈয়া গ্রামের মজুমদার বাড়ীর একটি পুকুরে পূনরায় মাছ চাষের জন্য পানি কমিয়ে মাছ বিক্রির কাজ চলছিল।
এ সময় পুকুরের পূর্ব পাশের নির্মাণাধীন ভবনটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং একপর্যায়ে ভবনের একটি বড় অংশ ধসে পড়ে। এতে ভবনটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং পরিবারের সদস্যরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য আবু হানিফা অভিযোগ করে বলেন, সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও আবুল হাসানাত মজুমদারের বিরুদ্ধে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তারা তা উপেক্ষা করে পুকুরের পানি কমিয়ে মাছ বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যান। তারা উভয়ে অসময়ে মাছ ধরায় আমার ছেলের বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়েছে। তারা উভয়ে বিগত সময়ে পুকুরের তত্বাবধানের দায়িত্বে রয়েছে।
এর ফলেই ভবনের ভিত্তি দুর্বল হয়ে ধসের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাদের। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, এ ঘটনায় তাদের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
তারা বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে ন্যায়বিচারের আশায় আবেদন করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত তারা কার্যকর কোনো প্রতিকার পাননি বলেও অভিযোগ করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক ইউপি সদস্য সোহরাব হোসেন মজুমদার ও হাসানাত মজুমদারের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, অপরিকল্পিতভাবে পুকুরের পানি নিষ্কাশনের কারণে ভবন ধসের মতো ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু,
১৮ জুলাই ২০২৬