কচুয়া

কচুয়ায় টুংরো ভাইরাসে দিশেহারা কৃষক

চাঁদপুর কচুয়া উপজেলায় রোপা আমন ধান গাছ লাল হয়ে বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের লোকজনদের মতে এ রোগটি টুংরো নামক ভাইরাস দ্বারা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই এ রোগের নাম টুংরো ভাইরাস। এ উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমনের চাষ হয়েছে।

প্রায় প্রতিটি মাঠে এ টুংরো রোগের আক্রমন দেখা যাচ্ছে। দিনের পর দিন এ রোগের মাত্রা বেড়েই চলছে। এছাড়াও বেড়ে চলছে ইঁদুরের উপদ্রব। কচি ধান গাছ খেয়ে ইঁদুর সাবাড় করে দিচ্ছে। এমনি অবস্থায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ সোফায়েল হোসেন ও কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম লিটন টুংরো রোগের আক্রমন ও ইঁদুরের উপদ্রবের সত্যতা স্বীকার করে জানান, টুংরো রোগ প্রতিরোধে বীজ তলায় কীটনাশক ওষুধ ছিটানোই হচ্ছে উত্তম পন্থা। রোপা লাগানোর পর যে মাঠে এ রোগ দেখা দেবে ওই মাঠের সকল কৃষককে একযোগে কীটনাশক ওষুধ ছিটাতে হবে।

এছাড়া যে মাঠে ইঁদুরের উপদ্রব দেখা দেবে ওই মাঠের কৃষকদেরকেও একযোগে ইঁদুর মারার (র‌্যাড কিলার) কীটনাশক ওষুধ ছিটিয়ে দিতে হবে।

কৃষি কর্মকর্তা জানান, টুংরো রোগ দমনে পটাশ সারসহ নিবসীম, মফসিন, টিডু, মার্শাল, ডারসবান, প্লেনাম এসব কীটনাশক ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। সাত দিন পর পর (২ থেকে ৩ দফা) উক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করা লাগবে।

কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাগণ এসব নিয়ম পালন করার জন্য মাঠে মাঠে ঘুরে কৃষকদেরকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন বলেও ওই দুই কর্মকর্তা দাবি করেন।

প্রতিবেদক:শরীফুল ইসলাম,৬ অক্টোবর ২০২০

Share