কচুয়ায় লোডশেডিংয়ের কারণে ইরি ধানের ফলন নিয়ে বিপাকে কৃষকরা

চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভায় ৫নং ওয়ার্ডের কড়ইয়া গ্রামের পূর্ব বিলে লোডশেডিংয়ের কারনে চলতি মৌসুমের ইরি-বোরো ধানের পানি সেচ নিয়ে বিপাকে রয়েছেন কৃষকরা। এতে করে কৃষকরা ভালো ফলন নিয়ে খুবই চিন্তিত। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারনে ওই বিলের কৃষকরা ইরি ধানের ফলন ঘরে তোলা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, কচুয়া পৌরসভাধীন কড়ইয়া গ্রামের পূর্ব বিলে প্রায় ৫শ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। চলতি বছরের ওই বিলের বোরো ধানের থোর বের হলেও পানি না থাকার কারনে ভালো ফলন নিয়ে ঘরে ফেরার দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। এছাড়া সরকারি খাস ভূমিগুলো ইচ্ছে মত দখল করে নেয়ায় পানি চলাচল করতে পারছে না। এসব খাস ভূমিগুলো অসাধু দখলদারীদের কাছ থেকে উদ্ধারের দাবী জানিয়েছে কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষক জাহাঙ্গীর হোসেন, মনির হোসেন, আব্দুল আউয়ালসহ একাধিক কৃষকরা জানান, চলতি মৌসুমে এই মাঠে আমরা বোরো ধান চাষ করেছি। কিন্তু ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ায় সেলু মেশিন থেকে আমাদের ফসলী জমিতে পানি আসছে না। তারা আরো জানান, পার্শ¦বর্তী এলাকায় বিদ্যুৎ থাকলেও আমাদের এ অঞ্চলে বিদ্যুৎ থাকেনা। তাই কৃষি জমির ফসলী উৎপাদনের লক্ষে জনস্বার্থে বিদ্যুতের ঘাটতি কমিয়ে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ দেয়ার জোড় দাবী করছি।

ওই মাঠের আলী হোসেনের সেলু মেশিনের লাইন ম্যান জাহাঙ্গীর আলম চাঁদপুর টাইমসকে জানান, আমি গত বেশ কয়েক বছর যাবৎ এই সেলুতে লাইন ম্যানের কাজ করছি। কিন্তু এবারের মত এত ভয়াবহ লোডশেডিং কখনো দেখিনি। বিদ্যুৎ একবার গেলে আর আসার নাম থাকে না। কখনো কখনো বিদ্যুৎ আসলে সেলু মেশিন চালু দিলে ড্রেইনে পানি প্রবেশের আগেই বিদ্যুৎ চলে যায়।
কচুয়া কৃষি অফিসের উপ-সহকারি কর্মকর্তা টিটু মোহন সরকার বলেন, স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগের ভিত্তিতে ফসলী জমি দেখতে পরিদশনে আসি। চাহিদা মত বিদ্যুৎ না থাকায় অধিকাংশ ফসলী জমিতে পানি নেই। ফসলী ধানের জমিতে পানি না থাকলে কৃষকদের ক্ষতি সাধন হবে।

প্রতিবেদক: জিসান আহমেদ নান্নু, ৫ এপ্রিল ২০২৪

Share