জাতীয়

করোনায় দেশে চাহিদার বিপরীতে আইসিইউ’র চরম সংকট

করোনায় দেশে চাহিদার বিপরীতে আইসিইউ’র চরম সংকট। নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) কারণে এই সংকট আরো প্রকোপ হয়ে উঠেছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গুরুতর রোগীর একটা বড় অংশের আইসিইউ’র সুবিধা প্রয়োজন। আইসিইউ’র জন্য দেশের জনবলের ঘাটতিও ব্যাপক।

সরকারি হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডাক্তার মুজিবর রহমান পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় আক্রান্ত হন করোনাভাইরাসে। প্রথমদিকে জ্বর ছাড়া অন্য কোনো কিছুই ছিলো না। পরপর ৪ বার পরীক্ষা করার পরেও তার শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েনি।

তিনি পঞ্চমবারের পরীক্ষায় করোনাভাইরাসে ধরা পড়েন। ততদিনে অবস্থা এতটা খারাপ হয় তাকে সরাসরি আইসিইউতে নেয়া হয়। টানা সাতদিন আইসিইউতে করোনাভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে ফেরেন। তিনি জানালেন দেশের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা।

মাতুয়াইল শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য ইনস্টিস্টিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান বলেন, আইসিইউ যেমন দরকার, তেমনি আইসিইউতে যিনি থাকবেন নূন্যতম একটা ধারণা দরকার। যেখানে যে মেশিন বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয়। মেশিনগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। কোন সময়ে কোন জিনিসটা পরিবর্তন করতে হয়। রাউন্ড ডাক্তার সবসময়ের জন্য থাকতে হবে। তবে আইসিইউ’র ভিতরে থাকতে হবে এমন না। সেবিকাদের যেমন আলাদা রুম আছে তেমনি ডাক্তারদের ও আলাদা রুম আছে। কিন্তু সবসময় ডাক্তার থাকাটা জরুরি।

তিনি আরো বলেন, এন্টিভাইরাল যেটা হয় করোনাভাইরাসে ব্যবহার হবে এভিগ্যান। যা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করলো। এভিগ্যান চললো। পর দেখা গেলো এক্সরেতে আমার নিউমোনিয়ায় আছে। সিটি স্ক্যান ও নিউমোনিয়ায় আসছে। যেহেতু প্রথমে করোনা নাই, পরে করোনাভাইরাস আছে। করোনাভাইরাস ধরে নিয়ে দ্বিতীয় ইনফেকশন এর জন্য থ্যারো প্যারা ইনজেকশন, মাস্কো পস্কাসিল ইনজেকশন দেয়া হয়। আমার ট্যাবলেট ও ইনজেকশন চলছিলো। শ্বাস-কষ্ট কমা শুরু হয়।

ঢাকা ব্যুরো চীফ, ১৪ মে ২০২০

Share