Home / আরো / খেলাধুলা / শফিউলের ৫ উইকেট; বিশাল জয় মাহমুদ উল্লাহ বাহিনীর

শফিউলের ৫ উইকেট; বিশাল জয় মাহমুদ উল্লাহ বাহিনীর

বাঘা বাঘা কোনো তারকা নেই দলে; তারপরও একের পর এক ম্যাচ জিতে চলেছে মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদের দল খুলনা টাইটানস। আজ চলতি বিপিএলের সর্বোচ্চ স্কোর গড়ে রাজশাহী কিংসকে কার্যত উড়িয়ে দিল খুলনা।

বিশাল টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৪৫ রানে থেমে গেল রাজশাহী কিংস। শফিউল ইসলাম নিলেন ৫ উইকেট। ৬৮ রানে ম্যাচ জিতে নিল খুলনা টাইটানস। এই বড় পরাজয়ে চিটাগং ভাইকিংসের মত শেষ চারে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেল ড্যারেন স্যামিদের।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ২১৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১২ রানেই প্রথম উইকেট হারায় রাজশাহী। মুমিনুল হককে (১১) সরাসরি বোল্ড করে দেন পেসার শফিউল ইসলাম। ১ রানের ব্যবধানে রাজশাহীর দ্বিতীয় উইকেটের পতনও হয়েছে শফিউলের বলে। তবে এতে অবদান বেশি ছিল আর্চারের। লুক রাইটের (১) হাঁকানো নিশ্চিত ছক্কা হতে যাওয়া বলটিকে সীমানার ওপরে লাফিয়ে ক্যাচে পরিণত করেন তিনি।

ওই ওভারটিতে ১ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট নেন শফিউল।
এরপর কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন জাকির হাসান আর রনি তালুকদার। আবু জায়েদের বলে ২৩ বলে ৫ চার ১ ছক্কায় ৩৬ রানে রনি তালুকদার আউট হলে ভাঙে এই জুটি। জাকিরও (১৯) আবু জায়েদের বলে মাহমুদ উল্লাহর তালুবন্দি হন। রাজশাহীর ব্যাটিং ধস আর থামেনি। অধিনায়ক ড্যারেন স্যামিকে ১ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান শফিউল। মুশফিক (১১) আজও ব্যর্থ। ৮০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় রাজশাহী কিংস। ৪ ওভারে ২৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে একাই স্যামিদের ধসিয়ে দেন শফিউল।

শেষের দিকে মেহেদী মিরাজের লড়াইটা কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে। ১০ বলে ১৪ রান করা ফ্র্যাংকলিনকে বোল্ড করে রাজশাহীর সপ্তম উইকেটের পতন ঘটান আর্চার। ২৩ বলে ২৯ রান করা মেহেদী মিরাজ আফিফের বলে আরিফুল ইসলামের হাতে ধরা পড়েন। মাহমুদ উল্লাহর বলে কেসরিক উইলিয়ামস (১) স্টাম্পড হলে ১ ওভার বাকী থাকতেই ১৪৫ রানে অল-আউট হয়ে যায় রাজশাহী কিংস।

এর আগে আজ সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে খুলনা টাইটানস। দুই ওপেনার শান্ত আর রুশো ভালোই খেলছিলেন। তবে দুজনের ভুল বোঝাবুঝিতে রুশো (৬) রান-আউট হয়ে গেলে জুটিতে ছেদ পড়ে। তবে আফিফ হোসেনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দারুণ ব্যাটিং করেন শান্ত। ফ্র্যাংকলিনের বলে এলবিডাব্লিউ হওয়ার আগে ৩১ বলে ৫ বাউন্ডারি এবং ১ ওভার বাউন্ডারিতে করেন ৪৯ রান।

টুর্নামেন্টজুড়ে দারুণ ধারাবাহিক খুলনা অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহ আজ বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফ্র্যাংকলিনের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফিরেছেন মাত্র ১ রান করে। তবে ভেঙে পড়েনি খুলনা। ব্যাট হাতে রুখে দাঁড়ান আফিফ এবং নিকোলাস পুরান। ২৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে ৬ চার ৩ ছক্কায় ৫৭ রানে ফ্র্যাংকলিনের তৃতীয় শিকার হন পুরান।

আফিফের সঙ্গে যুক্ত হন হার্ডহিটার ব্র্যাথওয়েট। এর মধ্যেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন আফিফ। শুরু থেকেই হাত খুলে ব্যাটিং শুরু করেন ব্র্যাথওয়েট। ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ১৪ বলে ৩৪ রান করে মোহাম্মদ আমিরের শিকার হন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে খুলনার সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২১৩ রান।

Leave a Reply